প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/৬৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


げ●● গল্পগুচ্ছ আশচষ*।” “তার কারণ আপনি যে খব খাঁটি, ঠিক কথা বলতে জানেন।” “হাসালে তুমি। তোমাকে বেঠিক কথা বলে ধরা পড়ব এত বড়ো নিরেট বোকা আমি নই। তা হলে লাগা যাক এবার— জিনিসপত্র ফদ করা, দর যাচাই করা, ভালো উকিল ডেকে তোমার স্বত্ব বিচার করা, আইনকাননে বেধে দেওয়া ইত্যাদি অনেক হাঙ্গামা আছে।” "এ-সব দায় কিন্তু আপনারই।" “সেটা হবে নামমাত্র। বেশ ভালো করেই জান, যা তুমি বলাবে তাই বলব, যা করাবে তাই করব। আমার লাভটা এই যে, দ্য বেলা দেখা হবে তোমার সঙ্গে । তোমাকে যে কী চক্ষে দেখেছি তুমি তো জান না।” সোহিনী চৌকি থেকে উঠে এসে ধী করে এক হাতে চৌধুরীর গলা জড়িয়ে ধরে গালে চুমো খেয়ে চট করে সরে গেল, ভালোমানষের মতো বসল গিয়ে চৌকিতে। “ঐ রে, সবনাশের শহর হল দেখছি।" “সে ভয় যদি একটাও থাকত তা হলে কাছেও এগতুম না। এ বরাদ্দ আপনার জটবে মাঝে মাঝে।” “ঠিক বলছ ?” “ঠিকই বলছি। আমার এতে খরচ নেই, আপনারও যে বেশি কিছল পাওনা আছে, মাখের ভাব দেখে তা বোধ হচ্ছে না।" “অথাৎ বলতে চাও, এ হচ্ছে মরা কাঠে কাঠঠোকরার ঠোকর দেওয়া – চললমে উকিলবাড়িতে।" “কাল একবার আসবেন এ পাড়াতে ।" “কেন, কী করতে ?” “রেবতীর মনে দম দিতে।" “আর নিজের মনটা খইয়ে বসতে।” “মন কি আপনার একলারই আছে ?" “তোমার মনের কিছল বাকি আছে নাকি ?” “উচ্ছিন্ট অনেক পড়ে আছে।” “তাতে এখনও অনেক বাঁদর নাচানো চলবে।" ● তার পরদিনে রেবতী ল্যাবরেটরিতে নিদিষ্ট সময়ের অন্তত বিশ মিনিট আগে এসেই উপস্থিত। সোহিনী প্রস্তুত ছিল না, আটপৌরে কাপড়েই তাড়াতাড়ি চলে এল ঘরে। রেবতী বঝেতে পারলে গলদ হয়েছে। বললে, “আমার ঘড়িটা ঠিক চলছে ना एनर्धाइ ।” সোহিনী সংক্ষেপে বললে, “নিশ্চয়।” m এক সময়ে একটা কী শব্দ শনে রেবতী মনে মনে চমকে উঠে দরজার দিকে