প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/৭৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ল্যাবরেটরি vss দাগী রকমের জনশ্রুতি শুনেছিল মনে মনে তার প্রতিবাদ করলে। হরিদাসবাব যখন বললে রেবতীবাবর নামের কবচ রক্ষাকবচরপে এ সভার গলায় আজ ঝোলানো হল, এর থেকে বোঝা যাবে এ সভার উদ্দেশ্য কত মহোচ্চ, তখন রেবতী নিজের নামের গৌরব ও দায়িত্ব খর্ব প্রবলরাপে অনুভব করলে। ওর মন থেকে সংকোচের খোলসটা খসে পড়ে গেল। মেয়েরা মুখের থেকে সিগারেট নামিয়ে কংকে পড়ল ওর চৌকির উপর, মধর হাস্যে বললে, "বিরক্ত করছি আপনাকে, কিন্তু একটা অটোগ্রাফ দিতেই হবে।” | রেবতীর মনে হল—এতদিন সে যেন একটা বনের মধ্যে ছিল, স্বপ্নের গুটি গেছে খালে, প্রজাপতি বেরিয়ে পড়েছে। 雷 একে একে লোক বিদায় হল। নীলা রেবতীর হাত চেপে ধরে বললে, “আপনি দিনের আলো শেষ হয়ে আসছে, লতাবিতানের মধ্যে সবজে প্রদোষের অন্ধকার। বেঞ্চির উপরে দুজনে কাছাকাছি বসল। নিজের হাতের উপরে রেবতীর হাত তুলে নিয়ে নীলা বললে, “ডক্টর ভট্টাচাৰ্য, আপনি পরষমানুষ হয়ে মেয়েদের অত ভয় করেন কেন ৷” রেবতী সপধাভরে বললে, “ভয় করি ? কখনও না।” “আমার মাকে আপনি ভয় করেন না ?” “ভয় কেন করব, শ্রদ্ধা করি।” “আমাকে ?” “নিশ্চয় ভয় করি।” "সেটা ভালো খবর। মা বলেছেন, কিছুতে আপনার সঙ্গে আমার বিয়ে দেবেন না। তা হলে আমি আত্মহত্যা করব।” “কোনো বাধা আমি মানব না, আমাদের বিয়ে হবেই হবে।” কাঁধের উপর মাথা রেখে নীলা বললে, “তুমি হয়তো জান না তোমাকে কতখানি চাই।” নীলার মাথাটা আরও বকের কাছে টেনে নিয়ে রেবতী বললে, “তোমাকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নিতে পারে এমন কোনো শক্তি নেই।” “জাত ?” “ভাসিয়ে দেব জাত।” “তা হলে রেজিস্টারের কাছে কালই নোটিস দিতে হবে।" “কালই দেব, নিশ্চয় দেব।” রেবতী পরেষের তেজ দেখাতে শরে করেছে। পরিণামটা দ্রুতবেগে ঘনিয়ে আসতে লাগল। আইমার পক্ষাঘাতের লক্ষণ দেখা দিয়েছে। মৃত্যুর আশঙ্কা আসন্ন। ষে পর্যন্ত মৃত্যু না হয় সোহিনীকে তিনি কিছতে ছাড়বেন না। এই সযোগটাকে দ্য হাত निम्न श्राँकाफ़ल शत्त्व नौलाग्न छैन्भख यौवन आरणाफ़िउ शक्क केळदष्ट । ।