প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (তৃতীয় খণ্ড).djvu/১৮২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*ఏ షా গল্পগুচ্ছ তাই লইয়া পালাইয়াছে। আমার ঘরে সবোধের যে আরাম ছিল না সে আমি জানিতাম । পক্ষে। তাই এ সম্বন্ধে আমার মনে কোনো পরিতাপ ছিল না। কিন্তু, তাই বলিয়া সবোধ যে টাকা লইয়া পলাইয়া যাইতে পারে, ইহা চিন্তা করিয়া আমি তাকে কপট অকৃতজ্ঞ বলিয়া মনে মনে গালি দিতে লাগিলাম। এই বয়সেই চুরি আরম্ভ করিল, ইহার গতি কী হইবে। আমার কাছে থাকিয়া, আমাদের বাড়িতে বাস করিয়াও ইহার এমন শিক্ষা হইল কী করিয়া। সবোধ যে টাকা চুরি করিয়া পালাইয়াছে এ সম্বন্ধে আমার মনে কোনো সন্দেহ রহিল না। ইচ্ছা হইল, পশ্চাতে ছটিয়া তাকে যেখানে পাই ধরিয়া আনি, এবং আপাদমস্তক একবার কষিয়া প্রহার করি। এমন সময় আমার অন্ধকার ঘরে সবোধ আসিয়া প্রবেশ করিল। তখন আমার এমন রাগ হইয়াছে যে চেষটা করিয়াও আমার কন্ঠ দিয়া কথা বাহির হইল না । সবোধ বলিল, “টাকা পাই নাই।” আমি তো সবোধকে টাকা আনিতে বলি নাই, তবে সে কেন বলিল টাকা পাই নাই’। নিশ্চয় টাকা পাইয়া চুরি করিয়াছে—কোথাও লুকাইয়াছে। এই-সমস্ত ভালোমানুষ ছেলেরাই মিটমিটে শয়তান। আমি বহন কটে কন্ঠ পরিকার করিয়া বলিলাম, “টাকা বাহির করিয়া দে!” সেও উদ্ধত হইয়া বলিল, “না, দিব না, তুমি কী করিতে পারো করো।” আমি আর কিছুতেই আপনাকে সামলাইতে পারিলাম না। হাতের কাছে লাঠি ছিল, সজোরে তার মাথা লক্ষ্য করিয়া মারিলাম। সে আছাড় খাইয়া পড়িয়া গেল। তখন আমার ভয় হইল। নাম ধরিয়া ডাকিলাম, সে সাড়া দিল না । কাছে গিয়া যে দেখিব আমার সে শক্তি রহিল না। কোনো মতেই উঠিতে পারিলাম না । হাংড়াইতে গিয়া দেখি, জাজিম ভিজিয়া গেছে। এ যে রক্ত! ক্ৰমে রক্ত ব্যাপ্ত হইতে লাগিল । ক্লমে আমি যেখানে ছিলাম তার চারি দিক রক্তে ভিজিয়া উঠিল। আমার খোলা জানলার বাহির হইতে সন্ধ্যাতারা দেখা যাইতেছিল; আমি তাড়াতাড়ি চোখ ফিরাইয়া লইলাম ; আমার হঠাৎ কেমন মনে হইল, সন্ধ্যাতারাটি ভাইফোঁটার সেই চন্দনের ফোঁটা। সবোধের উপর আমার এতদিনকার যে অন্যায় বিদ্বেষ ছিল সে কোথায় এক মহেতে ছিন্ন হইয়া গেল। সে যে অনর হৃদয়ের ধন; মায়ের কোল হইতে ভ্ৰষ্ট হইয়া সে যে আমার হদয়ে পথ খুজিতে আসিয়াছিল। আমি এ কী করিলাম। এ কী করিলাম। ভগবান, আমাকে এ কী বধি দিলে। আমার টাকার কী দরকার ছিল। আমার সমস্ত কারবার ভাসাইয়া দিয়া সংসারে কেবল এই রাগণ বালকটির কাছে যদি ধম রাখিতাম তাহা হইলে যে আমি রক্ষা পাইতাম । ক্লমে ভয় হইতে লাগিল পাছে কেহ আসিয়া পড়ে, পাছে ধরা পড়ি। প্রাণপণে ইচ্ছা করিতে লাগিলাম, কেহ যেন না আসে, আলো যেন না আনে ; এই অন্ধকার যেন মহেতের জন্য না ঘোচে, যেন কাল সবে না ওঠে, যেন বিশ্বসংসার একেবারে সপণ মিথ্যা হইয়া এমনিতরো নিবিড় কালো হইয়া আমাকে আর এই ছেলেটিকে छिब्रभिन छाकिझा ब्राह्थ । পায়ের শব্দ শুনিলাম। মনে হইল, কেমন করিয়া পলিস খবর পাইয়াছে। কী पैभथा कझिग्नउ मिथ ऊाम्नाऊाफ़ि टनईट छाविग्ना ठाईंटल क्रभंगै कर्गद्रणाब, किन्छू भन