প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২৯৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মাল্যদান 总04 করিতেছ।” পটল। আমি ছেলেমানষি করি, না তুমি বড়োমানষি কর । তোমার বঝি বয়সের গাছপাথর নাই ! : যতীন পলায়ন করিল। পটল তাহার পিছনে পিছনে ছটিতে ছটিতে কহিল, “ও যতীন, তোমার ভয় নাই, তোমার ভর নাই। এখনই তোমার মালা দিতে হইবে না— ফাগুন-চৈত্রে লগ্ন নাই— এখনও হাতে সময় আছে।” পটল যাহাকে কুড়ানি বলিয়া ডাকে সেই মেয়েটি অবাক হইয়া রহিল। তাহার বয়স ষোলো হইবে, শরীর ছিপছিপে-মুখশ্ৰী সম্বন্ধে অধিক কিছু বলিবার নাই, কেবল মুখে এই একটি অসামান্যতা আছে যে দেখিলে যেন বনের হরিণের ভাব মনে আসে। কঠিন ভাষায় তাহাকে নিবন্ধি বলা যাইতেও পারে, কিন্তু তাহা বোকামি নহে; তাহা বৃদ্ধিবৃত্তির অপরিস্ফারণমাত্র, তাহাতে কুড়ানির মাখের সৌন্দৰ্য নষ্ট না করিয়া বরঞ্চ একটি বিশিষ্টতা দিয়াছে। সন্ধ্যাবেলায় হরকুমারবাব কলিকাতা হইতে ফিরিয়া আসিয়া যতীনকে দেখিয়া কহিলেন, “এই-যে, যতীন আসিয়াছ, ভালোই হইয়াছে। তোমাকে একটা ডাক্তারি করিতে হইবে। পশ্চিমে থাকিতে দভিক্ষের সময় আমরা একটি মেয়েকে লইয়া মানুষ করিতেছি । —পটল তাহাকে কুড়ানি বলিয়া ডাকে। উহার বাপ-মা এবং ঐ মেয়েটি আমাদের বাংলার কাছে একটি গাছতলায় পড়িয়া ছিল। যখন খবর পাইয়া গেলাম গিয়া দেখি, উহার বাপ-মা মরিয়াছে, মেয়েটির প্রাণটুকু আছে মাত্র। পটল তাহাকে অনেক যত্নে বচিাইয়াছে। উহার জাতের কথা কেহ জানে না— তাহা লইয়া কেহ আপত্তি করিলেই পটল বলে, ‘ও তো দ্বিজ ; একবার মরিয়া এবার আমাদের ঘরে জমিয়াছে, উহার সাবেক জাত কোথায় ঘুচিয়া গেছে। প্রথমে মেয়েটি পটলকে মা বলিয়া ডাকিতে শর করিয়াছিল ; পটল তাহাকে ধমক দিয়া বলিল, “খবরদার, আমাকে মা বলিস নে— আমাকে দিদি বলিস। পটল বলে, “অতবড়ো মেয়ে মা বলিলে নিজেকে বড়ি বলিয়া মনে হইবে যে ’ বোধ করি, সেই দভিক্ষের উপবাসে বা আর-কোনো কারণে উহার থাকিয়া থাকিয়া শলবেদনার মতো হয়। ব্যাপারখানা কী, তোমাকে ভালো করিয়া পরীক্ষা করিয়া দেখিতে হইবে। ওরে তুলসি, কুড়ানিকে ডাকিয়া আন তো।” কুড়ানি চুল বাঁধতে বধিতে অসম্পণে বেণী পিঠের উপরে দলাইয়া হরকুমারবাবার ঘরে আসিয়া উপস্থিত হইল। তাহার হরিণের মতো চোখদুটি দুজনের উপর রাখিয়া সে চাহিয়া রহিল। - যতীন ইতস্তত করিতেছে দেখিয়া হরকুমার তাহাকে কহিলেন, “বথা সংকোচ করিতেছ, যতীন। উহাকে দেখিতে মস্ত ডাগর, কিন্তু কচি ডাবের মতো উহার ভিতরে কেবল জল ছলছল করিতেছে-এখনও শাঁসের রেখামাত্র দেখা দেয় নাই। ও কিছুই বোঝে না—উহাকে তুমি নারী বলিয়া ভ্ৰম করিয়ো না, ও বনের হরিণী।” । যতীন তাহার ডাক্তারি কতব্য সাধন করিতে লাগিল— কুড়ানি কিছুমাত্র কুষ্ঠা প্রকাশ করিল না। যতীন কহিল, "শরীরষয়ের কোনো বিকার তো বোঙ্কা গেল না।” পটল ফস করিয়া ঘরে ঢাকিয়া বলিল, “হৃদয়যন্ত্রেরও কোনো বিকার ঘটে নাই। তার পরীক্ষা দেখিতে চাও?” 3. यजिब्रा, कूफ़ानिग्न कारछ शिम्ना उाशव्र छिदएक न्नभ* कब्रिज्ञा कश्लि, “७ कूफ़ानि,