পাতা:চন্দ্রশেখর- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/২৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


పిడీ চন্দ্রশেখর। “সেই শীতল দেশের তুষাররাশির সদৃশ যে মেরি ফক্টরের প্রয়ে বাল্যকালে অভিভূত হইয়াছিলাম, , এখন সে স্বপ্নের মত। দেশভেদে কি রুচিভেদ জন্মে ? তুষারময়ী মেরি কি শিখারূপিণী উষ্ণ দশের স্বন্দরীর তুলনীয় ? বলিতে পারি ন৷ ” ফষ্টর চলিয়া গেলে শৈবলিনী ধীরে ধীরে জল কলস পূর্ণ করিয়া কুম্ভকক্ষে বসন্তপবনারূঢ় মেঘবৎ যন্দপদে গুহে প্রত্যাগমন কৰিল। যথাস্থানে ভূল রাখিয়া শয্যাগৃঙ্গে প্রবেশ করিল। " তথার শৈবলিনীর স্বর্ণমা চন্দ্রশেখর কম্বলাসনে উপবেশন করিয়া, নামাবলীতে कमिळनबनश्डि उडग्र জানু বন্ধন করিয়া মৃৎপ্রাপ সম্মুখে, তুলচে হাতে লেখা পুস্তি পূড়িতেছিলেন। আমরা বখনকার কথা বলিতেছি, তাহার পর একশত দশ বৎসর অতীষ্ঠ হইয়ছে। " •চন্দ্রশেখরের বয়ঃক্রম প্রার চত্বারিংশং বর্ষ । তাহার আকার দীর্ঘ ; তদুপযোগী" বুলিষ্ঠ গঠন। মস্তক বৃহৎ, ললাট નિક, তদুপরি চম্বৰূরেখা ! শৈবলিনা গৃহপ্ৰবেশকালে মনে মনে ভাবিতেছিলেন, “যখন ইনি জিজ্ঞাসা করিবেন, কেন এত রাত্রি হইল, তখন কি বলিব ? কিন্তু শৈবলিনী গৃহমধ্যে প্রবেশ করিলে, চন্দ্রশেখর কিছু বললেন না। তখন তিনি ব্রহ্মস্থত্রের স্বত্রবিশেষের অর্থসংগ্রহে ব্যস্ত *ছিলেন। শৈবর্ণিনী হাসিয়া উঠিল। ঠখন চন্দ্রশেখর চাহিয়া দেখিলেন, বলিলেন, “আজি এত অসময়ে বিদ্যুৎ কেন? - • শৈবলিনী বলিল, "আমি ভাবিতেছি, ন জালি আমায় তুমি কত ৰকিৰে ।”