পাতা:চিঠিপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৩২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তার প্রকাশ সুরু হতেই বাধা পেয়ে পেয়ে তবে আতিথ্য লাভ করেছে । মনে আছে ক্ষণিক যখন প্রথম বেরিয়েছিল তখন পাঠকরা ভেবেই পায় নি একে কী ভাবে নেবে— একে কোন কোঠায় বসাবে, একে বাধানো হু কে। দেবে কিনা ঠাওরাতে না পেরে চুপ করে বসে ছিল— নিমন্ত্রণ ও করে নি, তাড়া কবে ও যায় নি, বিনা আহবানে ও চৌকি জুড়ে জায়গা করে নিলে । খেয়া এক দিন এলো মুদ্রাযন্থের “গারাজ থেকে রথে চড়ে । দরজা খোলেই না— বহু বংসর ধরে প্রথম সংস্করণের রথে ব পরেই সে অচল হয়ে বসে রইল । শেষ সপ্তকের কী গতি হবে জানিনে । বয়স যখন অল্প ছিল তখন খ্যাতি বিস্তারের প্রতি লোভ ছিল বিস্তর। ঐ রিপুট। একেবাবে তিরোহি ত হযেছে পললে মিথো বলা হবে । কিন্তু বুঝতে পাবচি ওট। যাই যাঠ করচে — তাশা হচ্চে শেষ পর্যন্ত অামার সঙ্গে ওর সহমরণ হবে না । সাহিত্যের হাটে দরদ স্তুর নিয়ে বকালকির দিকে আমার কান এখন এগিয়ে যায় না— তবু তোমাদের মুখ থেকে যখন অভিনন্দন পাই তখন বুঝি আমার কল মেব গাছে ফল ধবেচে । বাংলার নদীমাতৃক আতিথ্য থেকে অনেকদিন দূরে ছিলুম। এবারে তাপিত দেহ নিয়ে এসেছি সুজলা বাংলার শুশ্রষালয়ে । প্রায় মাসখানেক কাটল। ইতিমধ্যে বর্ষা পূৰ্ব্বদিগন্তে তাবু গেড়ে বসেছে । এখন মনটা শান্তিনিকেতনের দিকে উৎসুক— বর্ষার এমন বিরাট আত্মদান যজ্ঞ আর কোথাও দেখিনি – ○ > ○