পাতা:চিঠিপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৯৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অনেক অনুগ্রহ করিয়াছেন, তাহা একটি কারণ । দ্বিতীয়তঃ, যে-যে স্থলে আপনি টাকা লইতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন নাই, তথায় আমি টাকাও দিয়াছি। আগে আগে আমি নিজেই এ সব স্থলে কিছু টাকা দিতাম। সম্প্রতি “পশ্চিমযাত্রীর ডায়েরী” প্রকাশের মাঝামাঝি বা তাহার পরে ( আমি তখন প্রায় শান্তিনিকেতনে থাকিতাম বলিয়া ঠিক সময় মনে নাই ) বিশ্ব ভারতী কার্যালয় দশটাকা করিয়া পৃষ্ঠাহার নির্দেশ করেন । ঐ হারে কিছু টাকা দেওয়া হইয়াছে । পরে হার -নির্দেশের ভার প্রবাসী অফিসের উপরই দেওয়া হয় । প্রবাসী অফিস ও প্রেস এবং বিশ্ব ভারতী কার্য্যালয় উভয় পক্ষের দেনাপা ওনার হিসাব হইয়া গেলে বাকী টাকা যত শাস্ত্র পারি, দিব । যাহা হউক উক্ত উভয় কারণে আমার একট। ধারণ ও আশা জন্মে, যে, যে-লেখার জন্য আপনি টাকা লইতে সম্ম ন্ত তাহা অামি পাইব, এবং নিদিষ্ট পরিমাণ টাকা দিব । কিন্তু কাল রাত্রে শান্তিনিকেতনে আহারের পর শুনিলাম, যে, “নটর পুরস্কার” নাটিকাটি “বসুম তীকে” ছাপিবার জন্য ৬০০ টাকায দেওয়া হইয়াছে । অবশ্য যদি প্রবাসী উহা প্রকাশ করিবার অযোগ্য বিবেচিত হইয়া থাকে, তাহা হইলে আমার কিছু বল! উচিত নহে। অন্তথা আমার পক্ষে ক্ষুণ্ণ হওয়া স্বাভাবিক । ছয়শত টাকা দিতে সম্ভবতঃ আমি ও পারি তাম । আমি প্রবাসীতে “মুক্তধারা” ছাপিবার অধিকারের জন্য ১২৫০ টাক নগদ এবং ৩৭৫০ খানি “মুক্তধারা” বিশ্বভারতীকে দিয়াছিলাম । \S)ჯ&g