পাতা:চিঠিপত্র (সপ্তম খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৪৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


\9 ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯২৮ ઉં শাস্তিনিকেতন কল্যাণীয়াসু তোমার চিঠিগুলি পেয়ে তার থেকে কিছু কিছু কপি করিয়ে নিয়েছি। প্রবাসীতে পাঠাব । ইতিপূৰ্ব্বে দুই সংখ্যা প্রবাসীতে তোমার চিঠিগুলি বেরিয়েচে । তার মধ্যে এক সংখ্যা বোধ হচ্চে তুমি পাও নি । দেবার মতো জিনিষ আমরা কিছুই দিতে পারি নে যদি নেবার শক্তি জাগ্রত না থাকে । মেঘ বারবার আকাশে আসে তার পরে ভেসে চলে যায়, যেবার পৃথিবীর গ্রহণশক্তি অনুকূল হয় মেঘের বৃষ্টিশক্তি সেইবারই সার্থক হয় । চিঠি তোমাকে অনেকগুলি লিখেচি সে তুমিই আমাকে লিখিয়েচ । এতে আমারই নিজের উপকার । কেননা নিজের সব কথা সব সময়ে নিজে শুনতে পাইনে, শ্রোতা যখন শোনে তখনি নিজে শুনতে পাই । যারা বলিয়ে নিতে পারে এমন শ্রোতা সংসারে খুবই কম । এ কথা নিশ্চয় জেনো পৃথিবীতে অনেক বাণীই অকথিত রয়ে গেছে— বক্তার অভাবে নয়, শ্রোতার অভাবে । যিনি বলতে পারতেন তাকে বলানো হল না বলে তিনি বঞ্চিত হয়েচেন । কিছুদিন পরে আবার আমাকে যুরোপে যেতে হবে । বক্তৃতার নিমন্ত্রণ আছে। - যুরোপে যাওয়া নিয়ে অনেকবার তুমি আমাকে প্রশ্ন করেচ । এটা মনে রেখে সেখানে আমি যা বলতে পারি సె - సె