পাতা:চিঠিপত্র (সপ্তম খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৫৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৩০ মে ১৯ ও ৮ હૈં কলিকাতা কল্যাণীয়াসু মাতঃ সৰ্ব্বদাই ঈশ্বরের দিকে মনকে ফিরিয়ে রাখা, তার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকা, এবং সমস্ত কৰ্ত্তব্যকে তার কাজ মনে করে ধৈৰ্য্যের সঙ্গে আনন্দের সঙ্গে সম্পন্ন করে যাওয়া এ ছাড়া সংসারে শাস্তির আর কি উপায় আছে আমি ত জানি নে । কোনো কোনো লোক, ঈশ্বরকে ক্ষণে ক্ষণে স্মরণ করিয়ে দেবার জন্য এক একটি মন্ত্রকে আশ্রয় করে থাকেন— রামমোহন রায় সমস্ত চিত্তক্ষোভ থেকে নিজেকে উত্তীর্ণ করবার জন্য গায়ত্রীমন্ত্র অবলম্বন করেছিলেন— যখনি তার মন কোনো কারণে চঞ্চল হত তখনি তিনি ঐ মন্ত্র মনে মনে স্মরণ করতেন এবং ক্ষুদ্র সংসারের সমস্ত বন্ধন এড়িয়ে মুক্তিক্ষেত্রে গিয়ে উপনীত হতেন। আমিও উপনিষদের কোনো কোনো শ্লোককে এইরূপ আশ্রয়ের মত অবলম্বন করে থাকি। এই রকম একএকটি মন্ত্র তুফানের সময় হালের মত কাজ করে । আমার প্রবন্ধ সভাস্থলে পড়া হয়ে গেছে । পুস্তিকা আকারে ছাপা হচ্চে— তোমাকে -তুই একদিনের মধ্যেই পাঠিয়ে দেব । এই কথা মনে রেখো, নিজের জন্তেই কি, আর দেশের জন্তেই কি, যা সকলের চেয়ে উচ্চ সত্য তাই একমাত্র সত্য। কোনো উপস্থিত ক্রোধে লোভে বা কোনো ক্ষুদ্র প্রবৃত্তির উত্তেজনায় ধৰ্ম্মকে খৰ্ব্ব "לס\ צ