পাতা:চিঠিপত্র (সপ্তম খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৬৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


>\3 ৮ মে ১৯ ১ e & শান্তিনিকেতন বোলপুর পরম কল্যাণীয়াসু মা, আজ আমার জন্মদিন । তাই এখানে আমাদের আশ্রমের বালকেরা আমাকে নিয়ে উৎসব করচে । আজ তোমার চিঠিখানি পেয়ে খুসি হলুম। র্তাকে প্রতিদিন বারম্বার ডাকতে ডাকতেই মনের সমস্ত বাধা কাটতে থাকে । তার নাম ক্রমে ক্রমে আমাদের সমস্ত শরীর মনের মধ্যে প্রবেশ করে জীবনকে পবিত্র করে তোলে । তুমি র্তার নামের ধারা দিয়ে মনের সমস্ত ধুলো ধুয়ে ফেল । আপনাকে ভুলে গিয়ে তাকেই সব চেয়ে বড় করে সত্য করে জানতে হবে । কিন্তু সংসারে আমরা দিনরাত্রি কেবল আপনাকেই দেখি বলে সেই আমাদের অহংই প্রবল হয়ে ওঠে । এই জন্যই বারবার র্তাকে ডাকতে ডাকতে র্তাকেই সত্য বলে জানবার অবকাশ ও অভ্যাস হয়— তা হলেই ধীরে ধীরে প্রবৃত্তির বাধা কেটে যেতে থাকে ৷ ” নিরাশ হোয়ে না— যতই বিলম্ব হোক নিষ্ঠার সঙ্গে প্রতিদিন র্তার নাম নেবার সাধনা কর তোমার জীবন আপনি ভিতরে ভিতরে কখন যে সার্থক হয়ে উঠবে তা জানতেও পাবেন । > @ ○