পাতা:চিঠিপত্র (সপ্তম খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৪৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শিলাইদ নদিয়| હૈં কল্যাণীয়াসু মা, আমি তোমাকে গত পত্রে কিছু না কিছু বেদনা দিয়েছি । কেননা অনেক কথা আছে যা সংক্ষেপে একটা চিঠির মধ্যে লিখতে গেলে কঠোর হয়েই পড়ে। গভীরতর সত্যকে কেবলমাত্র ভাষার ভিতর দিয়ে ঠিক ব্যক্ত করা চলেন । তুমি প্রত্যক্ষ পরিচয়ের অভাব সত্ত্বেও নিশ্চয়ই আমাকে অনেকটা পরিমাণে জান— তার থেকে এটুকু তুমি বুঝতে পারবে আমাদের সমাজে যদি চ এমন অনেক জিনিষ আছে যাকে আমার বুদ্ধি সমর্থন করতে পারেনা কিন্তু তার প্রতি আমার হৃদয়ের বেদন যথেষ্ট আছে । তুমি যেখানে বেদনা পেয়েছ আমি যে সেখানে কোনো বেদন অতুভব করিনে তা মনেও কোরোনা । আমাদের দেশে প্রচলিত পুজাৰ্চনাবিধির মধ্যে এমন সুগভীর তত্ত্ব আছে যা বহুমূল্য। আমাদের দেশে যারা মহাপুরুষ জন্মেছিলেন আধ্যাত্মিক সাধনায় তারা আশ্চৰ্য্য সিদ্ধিলাভ করেছিলেন । এ সমস্তই আমি মানি কিন্তু আমার মনের সমস্ত শ্রদ্ধা সত্ত্বেও দেশব্যাপী দুৰ্গতি এবং তার কারণের কথা যখন ভাবি তখন কল্পনার ইন্দ্রজাল দিয়ে নিজেকে এবং অন্তকে ভোলাবার প্রবৃত্তি একেবারেই চলে যায় । আমাদের ধৰ্ম্মের মধ্যে এত মুঢ়তা ! নিজের শক্তিকে এমন চার \O 8