পাতা:চিত্রাবলি - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/১০৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চিত্রাবলি । #” অন্নাভাবে মারা যাইবে । নিকটস্থ দশখান গ্রামের ভিতর কেহ যে সংবৎসরের খাবার ধানটাও পাইবে, তাহা মনে হয় না । জগদম্বা এবার কি করিবেন, কিছুই বুঝিতে পারিতেছি না। পত্রে দুর্ভাবনা দুশ্চিন্তার এইরূপ আরও নানা কথা লিখিত ছিল। যদুপতি তৎপ্রতি তাদৃশ আস্থা-স্থাপন করিতে পারিলেন না । তিনি মনে মনে কহিলেন,—“কমলার কোমল প্রাণ কমলা অল্পেই বিভীষিক দেখে।” তিনি আপনাআপনিই মনকে আশ্বস্ত করিলেন,-“এতটা কখনই নয় ।” পরক্ষণেই তাহার মনে হইল,--“গহনা গড়াইবার কথা হইলেই কমলা আর পাঁচটা অভাবের কথা পাড়িয়া বসে । এ যেন কমলার কি এক বিপরীত স্বভাব।” সুতরাং যদুপতি মনকে প্রবোধ দিলেন,—“যতই যাহা হউক, এবার পূজা কমলাকে নূতন অলঙ্কারে সাজাইবই সাজাইব ।” সেই দিনই যদুপতি, দাস কোম্পানীর অধ্যক্ষকে ডাকাইয়া আনিলেন । সেই দিনই গঙ্কন-সম্বন্ধে নানাবিধ কথাবার্তা-পরামর্শ হইল। সুবিধা হইলে দুই এক দিন মধ্যে গিনি কিনিয়া দেওয়া হুইবে, এবং গিনি কিনিয়া দেওয়ার পর সপ্তাহ-মধ্যে সমস্ত গহনা পাওয়া যাইবে ;-কথাবাৰ্ত্তায় এতদূর পর্য্যস্ত নিৰ্দ্ধারিত इहेब्रां बुझिल ! সে দিন, সে রাত্রি যদুপতির মনে অস্ত ভাবন জার : 跃、 - .أين リタ