পাতা:তীর্থরেণু.djvu/১১৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
তীর্থরেণু
 

একা


গোলাপ এখনো রাঙা আগুনের মত!
নৈশ বায়ে বনবীথী দুলিছে মন্থরে;
তৃণশয্যাতলে, হায়, ছিনু নিদ্রাগত,
সহসা উঠেছি জেগে পল্লব-মর্ম্মরে।
ওগো এস! এস একবার!
গভীর এ নিশীথের শোনো হাহাকার!

চাঁদ লুকায়েছে লতা-কুঞ্জের আড়ালে,
জোছনার কুচিগুলি পড়ে হেথাহোথা;
বঞ্জুল-চুম্বিত কালো লহরের তালে,
জেগে ওঠে কবেকার-কোথাকার কথা!
আর্দ্র তৃণে নয়ন লুকাই,
তোমারে এমন চাওয়া কভু চাহি নাই।

আজিকার মত ভাল বাসিনি গো কভু,
খুঁজিনি কখনো বুঝি আজিকার মত!
আঁখি-অধরের খেলা খেলেছি তো তবু,
হাসিমুখে আদর তো করিয়াছি কত।
সুগোপন সুখের আভাস,—
তারো মাঝে, মনে হয়, পড়েছে নিশ্বাস।

৯৭