পাতা:তীর্থরেণু.djvu/২১৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
তীর্থরেণু
 

মন জানে আর প্রাণ জানে যোর সে আছে সকল ঘটে,
বচন-অতীত—তবু তরি কথা অচেত-চেতনে রটে!
শাস্ত্রের শ্লোকে আঁধারে আলোকে আছে সে আকাশ ভরি’
জ্ঞানীর জ্ঞেয়ানে ভকতের ধ্যানে আছে দিবা বিভাবরী।
তপন প্রকাশ থাকিতে প্রদীপ জ্বালিতে করিনা আশ,
গ্রাহ্য করিনা অজ্ঞজনের নিন্দা ও পরিহাস।
বুদ্ধি বিচার কিছু নাই যার চীৎকার শুধু করে,—
অকূল সাগরে ডুবায় সে পরে আপনি ডুবিয়া মরে।
ছিল দিন যবে কাঠের ঘোড়ারে আমিও দিয়েছি জল,
অম্ল তেঁতুলে করিতে গিয়েছি দেবতারে নির্ম্মল।

পট্টণত্তু পিল্লাই।


সে

বনে, প্রান্তরে, শৈলশিখরে সে আছে সীমার পারে,
সে রয়েছে লোক-লোচনের অগোচরে;
লুপ্ত-আলাপ বিশ্ব রাগিণী লিপ্ত করিছে তারে,
পান্থ-পাখীর সাথী হ’য়ে সে বিহরে।
নিভাজ নিবিড় পর্দা দোলায়ে বাতাস যেমন ক’রে
যায় গো জানায়ে আপন আবির্ভাব,—
বাঁশের বাঁশীতে পশিয়া যেমন নিশ্বাস ধরা পড়ে’
ফুকারি’ প্রকাশে গোপন গভীর ভাব,—

১৯৫