পাতা:তীর্থরেণু.djvu/২১৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
তীর্থরেণু
 

তেমনি করিয়া মাঝে মাঝে সে যে ধরা দিতে কাছে আসে,
ধরিতে গেলেই পলায়ে পায়ে ফিরে,
নিতি নব বেশ, বিন্যাস নব, নিতি নব হাসি হাসে,
বিহরে লীলায় অকূলের তীরে তীরে!

সুকুন্তু।


মনোদেবতা

জাগিলে যে দূরে, ঘুমালে নিকটে, স্বপনে ফুটায় চোখ্‌,
অনাদি জ্যোতির দূরগামী রেখা সে আমার শুভ হোক্‌।
যাহারে ছাড়িয়া কোনো ক্রিয়া নাই, অন্তরে যে আলোক,
পরম জ্ঞানের অমৃত যে আনে সে আমার শুভ হোক্।
হ’য়েছে, হ’তেছে, হবে যার গুণে অচেত-চেতন-লোক,
অমৃতের মাঝে ধরেছে যে সব সে আমার শুভ হোক্‌।
যুগে যুগে যেই মনীষি-জনের যজ্ঞের নিয়ামক,
সপ্ত হোতায় মন্ত্র পড়ায়—সে আমার শুভ হোক্‌।
চক্র-নাভিতে অরার মতন ধরে যে নিখিল শ্লোক,
ঋক্, সাম, যজু ধারণ যে করে, সে আমার শুভ হোক্‌।
নিপুণ, প্রবীণ সারথীর মত চালায় যে,—সব লোক,
হৃৎ-প্রতিষ্ঠ সেই বেগবান ইষ্ট আমার হোক।

যজুর্ব্বেদ।
১৯৬