পাতা:দেবগণের অভিনব ভারত দর্শন.djvu/১৮২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

দেবগণের অভিনব ভারত দর্শন । উখিত হয়, সেই পরমোপকারী কৃষক-কুল আজ অন্নহীন ! অন্নপূর্ণাই আজ অম্লের কাঙ্গাল ! যদি ভূম্যধিকারিগণ, স্ব স্ব প্রজাকুলের মধ্যে, লেখাপড়া ও সংযম শিক্ষার ব্যবস্থা করেন, তবে তাহারা যক্ষ-রূপী উত্তমর্ণের গ্রাস হইতে বিমুক্ত থাকিতে পারে, আর দেশও অধিকতর শান্তিময় হয় । ৫ । বৈষ্ণব ও বৈষ্ণবী । নারায়ণ দেখিলেন, তাহার পরমভক্তাবতার শ্রীচৈতন্যদেব যে উদ্দেশ্যে বৈষ্ণবসম্প্রদায় স্থাপন করেন, কাল-মাহাষ্ম্যে তাহ। একেবারেই সিদ্ধ হয় না । বৈষ্ণবগণ এক্ষণে আর সংসারত্যাগী ও সংযত উপাসক সম্প্রদায়ের অন্তভূর্ত নহেন । র্তাহারা এক একজন পাকা গৃহস্থ । বৈষ্ণবের বৈষ্ণবী আছে ; অনেকস্থলে পুত্র পৌত্রও আছে ; র্তাহাদের বাস-ভবন বেশ পরিপাটী ; শারীরিক সৌষ্ঠবসম্পাদনের প্রয়াসও নিতান্ত মন্দ নয়! এই সকল অস্বাভাবিক দৃশু দর্শন করিয়া, নারায়ণ ভাবিতে লাগিলেন, “হায় রে! এই পবিত্র ধৰ্ম্মের আবরণ, কেবল কতকগুলি অকৰ্ম্মণ্য ও অপদার্থ লোকের স্বচ্ছন্দে জীবিকা-নিৰ্ব্বাহের একটি উপায়মাত্র ! উহাদের প্রবৃত্তির নিবৃত্তি, ইন্দ্ৰিয়-নিগ্ৰহ, আত্ম-সংযম ও ক্রমিক আত্মোন্নতির প্রয়াস কিছুমাত্র নাই ! গলদেশে তুলসীর মালা, দীর্ঘ চুল, রঙ্গিন বস্ত্র পরিধান, আর মুখে “হরেকৃষ্ণ ষ্ট্রীচৈতন্য” শব্দ থাকিলেই যথেষ্ট হইল ! শ্ৰীগৌরাঙ্গদেৰ > *t →