পাতা:ধর্ম্মসাধন.djvu/৬৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

as ধৰ্ম্মসাধন । ধৰ্ম্মসাধনের উন্নতি প্রণালী । འོད་, প্রশ্ন । ধৰ্ম্ম-জীবনের উন্নতির প্রণালী কিরূপ ও তাহ কিরূপে বুঝা যায় ? : . . . . . . উ। সম্মুখে একটা লক্ষ্য স্থির থাকিলে তুলনা দ্বারা বুঝা যায়, তাহার দিকে অগ্রসর হইতেছি, অথবা তাহা হইতে পশ্চাতে পড়িতেছি। উন্নতি অবনতি এইরূপে জানিতে পারা যায়। তীর যদি লক্ষ্য থাকে, একখানি নৌকা ক্রমে তাহার কত নিকটবৰ্ত্তী হইতেছে তাহ বুঝিতে কষ্ট হয় না। আমাদিগের উন্নতি অনেক প্রকারে হইতে পারে। পরস্পরের সহিত তুলনা, করিয়া উন্নতি দেখিলে নানা ভ্ৰমে পতিত হইতে হয় । ব্রাহ্মের পণ্ডিতদিগের সহিত জ্ঞানের তুলনায় আপনাদিগকে অপদার্থ বলিতে পারেন, আবার সঙ্কীৰ্ত্তন ও ভক্তি বিষয়ে আপনাদিগের শ্ৰেষ্ঠত্ব দেখিতে পান। এইরূপ জ্ঞান, ভাব ও কাৰ্য্য বিবেচনায় কেহ কোন বিষয়ে কিছু ছোট, কেহ কিছু বড় বোধ হয়। এ প্রকার তুলনা ব্রাহ্মের উচিত নয়। - ঈশ্বর একমাত্র স্থির বস্তু, তাহার সহিত তুলনাই উন্নতি বুঝিবার প্রকৃত উপায়। আমাদিগের সম্মুখে ঈশ্বর, পশ্চাতে সংসার ও পাপ। মন ক্রমশঃ কতদূর ঈশ্বরের নিকটস্থ এবং পাপ । ও সংসার হইতে দূরস্থ হইয়া পড়িতেছে, ইহাই জীবনে আমাদিগকে পরীক্ষা করিয়া বুঝিতে হইবে। পাপের প্রতি চৈতন্য ধৰ্ম্ম জীবনের উন্নতির প্রথম সোপান বা প্রারম্ভ। ব্যাধিগ্রস্ত অসাড় শরীরে যন্ত্রণ বোধ হইলে