পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১১০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয় । , సి ఫి তদ্বিষয় ব্যক্ত করা যুক্তিযুক্ত ৰোধ না করিয়া ভূয়োভূয়ঃ কহিতে লাগিলেন “ বৎসে বৰ্জ্জুিনিয়ে! উৎক১ার সময়ে জগদীশ্বরের আরাধনায় মনোনিৱেশ কর, র্তাহার প্রসাদে তোমার স্বাস্থ্য শান্তি প্রভৃতি সমুদয়ই রক্ষিত হইবেক । তোমাকে উাহার এতাদৃশ অসহ যাতনা দিবার তাৎপৰ্য্য এই যে, তিনি ইহার পরে তোমাকে অশেষ শুভ ফল প্রদান করিয়া সম্পূর্ণ সুখ & ভাগিনী করিবেন । বৎসে । এই যে পৃথিবী দেখিতেছ, ইহা তোমাদের চরিত্র-পরীক্ষার স্থল, অর্থাৎ, এখানে সচ্চরিত্রে কালযাপন করিলেই পরিণামে মুর্থী হইতে পরিবে । ” উত্তরায়ণের পর হুর্য্যের সাতিশয় উষ্ণ কিরণে আকৃষ্ট হইয়া সমুদ্র হইতে বাষ্প সকল উত্থিত হইয়। থাকে, এবং সেই সকল বাম্পে এই উপদ্বীপকে আচ্ছন্ন করে। যখন তাহ ঘনীভূত হইয় পৰ্ব্বতশিখরে একত্র হয়, তখন তাহা হইতে বিদ্যুৎ হইতে থাকে ও তাহার সঙ্গেই বজ্ৰাঘাতও হয়। তৎকালে সেই ভয়ানক বজপাতধ্বনিতে বন ও গহ্বর প্রতিধ্বনিত এবং সঙ্গে ই মুষলধারায় বারি বর্ষণ হইতে থাকে । বর্ষার জলে পৰ্ব্বতীয় গুহা সকল প্লাবিত হইয়া যায়। এই যে সমুথস্থ কুটারদ্বয়ের ধ্বংসাবশেষ দেখিতেছ, তখন সেই বৃষ্টিতে ইহার যৎপরোনাস্তি হানি হইত। বিশেষতঃ এই গুহার মধ্যবৰ্ত্তি ভূমির দ্বারদেশ এককালে জলপ্লাবিত হইয়া যায়, ও তাহার বহির্ভাগে সেই বর্ষণবারি মতিশয় বেগে প্রবাহিত হইতে থাকে । সে সময়ে স্থানের চতুর্দিক অবলোকন করিলে এককালে সকল