পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১১৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


} t 8 পাল ও বজিনিয়া। বর্জিনিয়ার সহিত তাহার বিবাহ দিতে আর বিলম্ব করিব না । আমি বিলক্ষণ জানিতে পারিয়াছি পাল ভিন্ন অন্য পাত্রের হস্তগত হইতে বর্জিনিয়ার ইচ্ছা কোনক্রমেই হইবেক না । বিশেষতঃ এ বিষয়ে অামাদের প্রতিবেশবাসী পরমহিতৈষী বর্ষিষ্ঠ মহাশয়ের ৰুি অতিপ্রায় তাহাও জিজ্ঞাসা করা যাউক ” এই কথ। বলিয়া তাহারা উভয়ে আমাকে এ বিষয়ের অভিপ্রায় জিজ্ঞাসা করিলেন । তাহাদের তাদৃশ প্রস্তাবে আমি উত্তর করিলাম “এ বড় ভাল কথা, ভারত মহাসাগর কিছু বড় ভয়ানক নহে, কালের সুবিধা থাকিলে দেড় মাসের মধ্যে তথায় উপস্থিত হওয়া যায় । পালের হস্তে কিছু আমরা অধিক ভার সমর্পণ করিব না । যে সকল বস্তু পালকে দিয়া পাঠাইব, তত্তাবৎ প্রতিবেশবাসীদের নিকট হুইতেই সংগৃহীত হইবেক । সে সকল ব্যক্তির সহিত পালেরও বিলক্ষণ আত্মীয়তা আছে, তাহার জন্য কিছু ভাবনা নাই । আমাদের এখানে কতকগুলি অপরিস্কৃত তুলা প্রস্তুত আছে, যন্ত্রাদি না থাকায় তাহ আমাদের নিতান্ত অব্যবহার্য্য হইয়া রহিয়াছে । আর আমাদের প্রতিদিন জ্বালাইবার আবলুস কাষ্ঠও কতকগুলিন পাওয়া যাইবেক । অপর এখানে এক প্রকার बना ८ब्लगम अङि ठूजङ ।। ७ई नकल गांभांन7२ दछु এ স্থলে যথেষ্ট আছে, কিন্তু তাহা ভারতবর্ষে বহু মূল্যে বিক্রয় হইতে পারে । অামার মতে পালকে দিয়া সেই দ্রব্যজাত পাঠান যাউক । যদি এবিষয়ে এই উপদ্বীপের শাসনাধিপতি মনস্থ্যর দিলা বর্দুই মহো