পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১৬৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । Y C প্রাণি-নিকায়ের অবস্থার উপরি দৃষ্টি রাখিয়া অামাদের যথাশক্তি পরস্পর সাহায্য করাই সৰ্ব্বত্তোভাৰে বিধেয় । আর দেখ দেখি, পরমেশ্বর আমাদিগৰুে बिरुम्न-सूर्थन८म्लाभ कब्लाङ्ग्रेनाद्र छना ८कोन्। इँझिम्न बा কোনই অবয়ব না দিয়া সৃষ্টি করিয়াছেন। চরণ সৃষ্টি করিয়া অামাদিগকে চলচ্ছক্তি প্রদান করিয়াছেন । নিশ্বাস প্রশ্বাসের নিমিত্ত আমাদের হৃৎপুগুরীক সৃষ্টি করিয়াছেন । অতিরমণীয় পদার্থের রূপদৰ্শনে মুখ সম্ভোগ করাইবার জন্য আমাদিগকে নয়নযুগল প্রদান করিয়াছেন । কিন্তু সেই বিশ্বস্রষ্ট পরমেশ্বর আমাদিগকে সৃষ্টি করিয়া আমাদের শরীরের মধ্যে যে প্রধান ইন্দ্রিয় মনের সৃষ্টি করিয়া দিয়াছেন, সেইটিই কেবল র্তাহার আপনার নিমিত্ত । “ পুৰ্ব্বে আমারও লোকোপাসনা করা ব্যবহার ছিল, কিন্তু তাহারা, যাহাতে অtমার অপকার হয় তাহাই করিত। এইহেতু বিরাগী হইয়া লোকালয় পরিত্যাগ পুৰ্ব্বক আমি এই মুদূর বিজনদেশে আসিয়া বাস করিয়া রহিয়াছি । পৃথিবীর অধিকাংশ বেড়াইয়। ও বাস করিয়া দেখিয়াছি কুত্ৰাপি মন লয় নাই । অবশেষে এই একান্ত স্বতন্ত্র উপদ্বীপটিই বাসস্থানের যোগ্য বলিয়া মনোনীত হইল। এই স্থানের ভূমি সকল তিশয় উৰ্ব্বর এবং জলবায়ুও যৎপরোনাস্তি স্বাস্থ্যকর । এখন আর এ স্থান হইতে আমার স্থানান্তর বাইৰার বাসনা নাই। বাসাৰ্থ যে একটি ক্ষুদ্র কুর্টর নিৰ্ম্মাণ করিয়াছি, ও যে যৎকিঞ্চিৎ ভূমিতে কৃষিকৰ্ম্ম করিয়া থাকি, এবং আমার কুটারদ্বারের নিকটে ষে