পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১৯৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । * デ ? কি টাকার মুখ চাহিয়৷ এই কৰ্ম্মট করিল ! কি আশ্চৰ্য্য ! উপাখ্যান পুস্তকে দেখিয়াছ স্ত্রীলোকের স্বভাবও ঠিক এইরূপ, কিছু বৈলক্ষণ নাই । তাহদের যে ধৰ্ম্মকথা সে কেবল কথার কথা বই আর কিছুই নয় । বজিনিয়ার যদি ধৰ্ম্মেই দৃষ্টি থাকিত তবে সে কদাচ আপন মাতাকে এবং আমাকে পরিভ্যাগ করিয়া যাইতে পারিত না । আহ! কি দুঃখ! আমি এখানে খেতে, শুভে, বসিতে, দাড়াইতে, সৰ্ব্বদাই তাহাকে অনুধ্যান করত কাল ষাপন করিতেছি, কিন্তু সে একবার আপনার মনেতেও অামাকে স্থান দিতেছে না! আমি এখানে তাহার জন্যে দিবানিশি বিষাদ-সমুদ্রে জুৰিয়া রহিয়াছি, সে সেখানে মহানন্দে কালযাপন করিতেছে । উঃ ! তাহার এসব কথা অামার মনে হইলে যেন আমার হৃদয়ে শেল বিদ্ধ হইতে থাকে । আমি কেবল তাহার জন্য এত নিরুৎসাহ হইয়া পড়িয়াছি । এখন পরিশ্রম করিতে আমার বড়ই ব্যামোহ বোধ হয় । কাহার সঙ্গে সংসর্গ করিতে হইলে যেন আমার বুক ফাটিয়া যায় । হায় ! পরমেশ্বর যদি এ সময়ে ভারতবর্ষের মধ্যে একট। যুদ্ধ বিগ্রহ উপস্থিত করিয়া দিতেন, তাহ। হইলে আমি বড়ই মুখী হইতাম ! অবলীলাক্রমে যাইয়া রণভূমিতে দেহত্যাগ করিয়া এ সকল বিষম জ্বালার হাত হইতে পরিত্রাণ, পাইতাম ” । । পালের মুখ হইতে এই সকল মৰ্ম্মভেদিনী কথ শ্রবণ করিয়া আমি এই বলিয়া উত্তর করতে লাগিল মe “প্রিয়তম! একটা কথা বলি মনোযোগ দিয়া শ্রবণ