পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১৯৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । ンb*? অবশ্যই ভাল বাসিতে হয়, আর সেও আপনি প্রিয়ভমকে মনের সহিত ভাল বাসে । কোনই স্ত্রীলোকের এমনি মোহনী মুখ শ্ৰী থাকে, ষে তাহ দেখিবামাত্র অমনি অস্তঃকরণ বিকসিত হয় ও তাঁহা হইতে ভাবনা চিন্ত সকল এককালে দূর হইয়া যায় ।” আমার মুখ হইতে এই সকল কথা শুনিয়া পালের সাহস, উৎসাহ প্রভৃতি গুণ সকল পুনরুজ্জীবিত হইয়া উঠিল । সেই সময়ে সে মনে করিল সে প্রাণীধিক প্রিয়তমা বজ্জিনিয়াকে অবিলম্বেই পুনরালিঙ্গন করিতে সমর্থ হইবে । মনেহ এইরূপ ভাবের উদয় হওয়াতে সে আবার ক্লষি কৰ্ম্মেতে তৎপর হইল ৷ ফল কথা বজ্জিনিয়াকে সন্তুষ্ট রাখাই তাহার প্রধান উদেশ্য, সুতরাং সে তদুদেশে যত পরিশ্রম করিতে লাগিল ততই তাহার মনে আমোদ ও ততই মুখ ৰোখ হইতে থাকিল । তদনন্তর ১১৭৪ বঃ অব্দের ১২ পৌষ প্রভাত হইবামাত্র পাল গাত্রে থান করিয়া দেখিতে পাইল, যে দূরদর্শন পৰ্ব্বতের শিখরভাগে এক শ্বেত পতাকা উঘাপিত হইয়াছে । পুৰ্ব্বেই বলিযা আসিয়াছি যখন কোন জাহাজ অধিক দুরে আসিতেছে দেখিতে পাওয়া যায়, তখন সেই পৰ্ব্বতের উঃ র নিশান তুলিয়া দেয় । পাল ঐ পতাকা দেখিব মাত্র অতিমাত্র ব্যস্ত সমস্ত হইয়া, সেই জাহাজে বর্জিনিগার কোন সংবাদ আইল কি না তাহ জানিবার জন্য নগরাভিমুখে ধাবমান হইল । জাহাজের পথপ্রদর্শক তথায় উপস্থিত । থাকাতে সে তাবদিন সেথ নেই তাপেক্ষা করিম।