পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/২১০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । సె సె জলে অবতরণ করিল। প্রথমতঃ খানিক দুর সাতরিয়া গিয়া, পরে চড়ার উপরি উঠিয়া পুনৰ্ব্বার ধাৰমান হইতে লাগিল। সে বর্জিনিয়াকে বাচাইতে যাইতেছিল বলিয়। তাহার মনে তখন যেমন উৎসাহ তেমনি মুখবোধ হইতে লাগিল । সে সময়ে জাহাজ খান যে স্থানে নিক্ষিপ্ত হইয়াছিল তাহার চারিদিক কেবল শুষ্ক বালিচড়াময় । যাইতে গেলে অনায়াসেই তথায় পহুছন সম্ভব । কিন্তু তখন সমুদ্রের এমনি গতিক যে, দেখিতেই এক উত্তাল তরঙ্গময় হড়ক সাতিশয় বেগে আসিয়া ভভাবৎ স্থান নিমগ্ন করিয়া ফেলিল । ইতিপূৰ্ব্বে জাহাজখানা কাতি হইয় পড়িয়াছিল, প্রবল তরঙ্গের বেগে ত্তাহাও সোজা হইয়া দাড়াইল । আহা ! পালের এমনি দুর্ভাগ্য ! যে বর্জিনিয়াকে রক্ষা করা দূরে থাকুক, সেই ধমকে তাহাৰুে মৃতপ্রায় হইয়া কুলে নিক্ষিপ্ত হইতে হইল! ভূমির উপর দিয়া ঘৰ্ষিয়৷ আসতে তাহার সর্বাঙ্গ, বিশেষতঃ পা দুখানা একবারে রক্তারক্তি হইয়াছিল এবং বক্ষঃস্থলেও বড় অাঘাত লাগিয়াছিল । আর তৎকালে তাহার জলে নাকানি চোবানির কথা বলা বাহুল্য । অনেকক্ষপ পর্য্যস্ত জ্বাল যন্ত্রণাভোগের পর কিঞ্চিৎ শান্তি বোধ হইলেই সে পুনৰ্ব্বার সেই জাহাজের দিকে গমন করিতে চাহিল । তাহাতে আমরা তাহাকে সেবার যাইতে অনেক নিষেধ করিতে লাগিলাম, কিন্তু সে কিছুতেই কৰ্ণপাত করিল না। তখন সমুদ্রে যে সকল মৌজা উঠিতেছিল তাহার কয়েকটার আঘাতে জাহাজের কোনহ স্থান একেবারে দুফাক হইয়। পড়িল ।