পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/২২৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । * > a লেই দুর্নিবাৰ্য্য শোক উথলিয় উঠে। উইলিয়মের প্রাস্তরে ভ্রমণ করিবার সময়ে আমি মধ্যে২ পালকে, এখন আমাদের কোন স্তানে যাওয়া ভাল, বল দেখি, বলিয়া জিজ্ঞাসা করিলে, সে তৎক্ষণাৎ উত্তরদিকে মুখ ফিরাইয়া কহিল “ চল না, ঐ যে আমাদের পর্বত সকল দেখা যাইতেছে, আমরা সেখানেই ফিরিয়া যাই’ । এইরূপে আমি যত ই কৌশল করিতে থাকিলাম, ততই নিষ্ফল হইতে লাগিল । কিছুতে আর কিছুই হইল না । ইহা দেখিয়া আমি মনে২ বিবেচনা করিলাম, যে কোনরূপে ইহার মন হইতে বিরহজনিত মোহ অপসারিত করিতে চেষ্টা করা যাউক । মনেহ এই প্রকার সঙ্কল্প করিয়া অামি উত্তর করিলাম যে, তথtয় ফিরিয়া গেলে কোন হানি নাই বটে, যাইতে চাও চল, কিন্তু একটা কথা আছে শুন । তুমি যে ঐ সকল পৰ্ব্বতে যাইতে চাহিতেছ উহাতে কেৱল ব'জিনিয়াই বাস করি ত, তথায় গেলে তোমার মনে কতই শান্তি হইবে ? তদপেক্ষ অধিক শান্তিকর পদার্থ এখানে বৰ্ত্তমান রহিয়াছে। তুমি স্বহস্তে বর্জিনিয়ার হস্তেতে যে আপনার ক্ষুদ্র ছবিখানি দিয়াছিলে, এবং • সে যখন মরিতে যায় তখন পর্য্যন্তও যাহা দৃঢ়তর যত্বে অাপন হৃদয়ে ধারণপুৰ্ব্বক চাপিয়া রাথিয়াছিল, তাহ। অামার নিকটেই রহিয়াছে । তাহ দেখিলেই তুমি জানিতে পারবে যে, বুজিনিয়া মরিবার সময়েও তোমার প্রতি কত দূর পর্য্যন্ত প্রীতি প্রকাশ করিয়া গিয়াছে । ফলে এখানে তোমার মনে প্রবোধ দিবার বিলক্ষণ উপায় রহিয়াছে। ইহা বলিয়া আমি సి