পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৫২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । 8 Y ভূতন বুদ্ধির কৌশল ও স্বিদ্ধ প্রণয়ের চিকু সকল প্রকাশ পাইতে লাগিল। তাহাদের এক দিনের স্নেহের কথা বলি, শ্রবণ কর । এব, রবিবার সেই কত্রীরা অতি প্রত্যুষে উঠিয়া উপাসনা করিবার জন্য বাতাবি গিরিজায় গমন করিয়াছিলেন । এমত সময়ে কোথা হইতে এক মাগী কাফীদাসী তাহদের উঠানে আসিয়া উপস্থিত হইল, এবং কলাতলার ছায়াতে উপবেশন করিল। তাহার শরীর কেবল অস্থি চৰ্ম্মসার, এবং মুখখানি যেমন শুষ্ক তেমনি স্নান হইয়াছিল । আর তাহার পরিধেয় বস্ত্রখানি সাতিশয় মলিন এবং শতগ্রন্থিযুক্ত কেবল তন্থসার মাত্র । দেখিলে অবশ্যই ঃখিত হইতে হয়, সন্দেহ নাই । তখন বর্জিনিয়া ঘরের ভিতরে বসিয়া পরিবারদিগের জন্য জলযোগের দ্রব্য সামগ্ৰী প্রস্তুত করিতেছিল । মাগী কখন কোন দিক দিয়া আসিয়াছিল, তাহা সে দেখিতে পায় নাই। পরে সে ঘরের ভিতর হইতে বাহির হইবামাত্র, সেই মাগী সত্বরে উঠিয়া গিয় তাহার পাদুখানি ধরিয়া কাদিতে লাগিল । বজিনিয়া তাহাকে “আহা! তুমি কাদ কেন ? তোমার কি হইয়াছে ? আমার কাছে বল ” এই কথা বার ২ জিজ্ঞাসা করিতে লাগিল । ইহাতে সে অতি করুণশ্বয়ে কহিতে লাগিল” মা! আমি অতি দুঃখিনী, অনাথ, আমার কেহই নষ্ট । একমাস হইল, আমি এখান. কার বনমধ্যে প্রবেশিয়া নানাস্থানে ঘুরিয়া বেড়াইতেছি ; কাহারে আশ্রয় পাইতেছি না । মাস বধিই প্রায় কিছু খাইতে পাই নাই ; এক্ষণে ক্ষুধায় ও তৃষ্ণায়