পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৫৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া। 8 লইয়া আহার করি, নচেৎ আর কোন উপায় দেখিতেছি না ’ । পালের এই কথা শুনিয়া বর্জিনিয়া কহিয়া উঠিল “ন না ভাই ও কথা মুখে অানিও না । সেই ক্লষকের আকার প্রকার দেখিয়া আমার ভয় হইয়াছিল, আর অামি তাহার কাছে প্রাণ থাকিতেও যাইব না । তোমার কি মরণ হয় না ভাই ? মায়েরা অামাদিগকে সৰ্ব্বদা কহিয়া থাকেন “ দুষ্টের অন্ন বিষডুল্য”। পাল কহিল ‘ ভাল সেখানে যেন নাই গেলে, এখনকার কৰ্ত্তব্য কি তাহ বল। এখানে কোন গাছে কিছু ফল দেখিতে পাইতেছিনা, যে তাহ খাইয় দিবাভাগ যাপন করিব । বনের মধ্যে ইতস্ততঃ অন্বেষণ করিলেও কাচা লেবু, বুনে তেঁতুল মিলাও ভার, আর তাহ। পাইলেই বা এসময়ে কি উপকার দশিবেক ?” এই সমস্ত কথাবাৰ্ত্ত হইতেছে এমত সময়ে তাহারা শুনিতে পাইল পৰ্ব্বতের এক স্থানে কল ২ শব্দে ঝরণাপাত হইতেছে । শুনিবামাত্র তাহারা তৎক্ষণাৎ উঠিয়৷ সেই দিকে চলিল, এবং অবিলম্বে সেই নিবারের নিকট উপস্থিত হইয় তাহার জলে হস্ত মুখ প্রক্ষালন ও কিঞ্চিৎ পান করিয়া আপাততঃ গ্রান্তি দূর করিল। অনন্তর সেখান হইতে ফিরিয়া আসিবার সময়ে বর্জিনিয়া দেখিল একটি পৰ্ব্বতীয় খেজুর গাছে কাদি২ ফল ফলিয়। রহিয়াছে । সে ফল খাইতে আঁতি মিষ্ট ও মুম্বাছ । গাছটি যেমন সরল তেমনি দীর্ঘাকার ছিল, কিন্তু তাহার মূল অবধি অগ্রভাগ পর্যন্ত এমনি এক প্রকার কঠোর বল্কল বা চুমুরীতে ব্যাপ্ত, যে তাহাতে উঠা