পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৬৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


¢ २ পাল ও বজিনিয়া। জানিতে পারিতাম তোমার সেই নিষ্ঠর নরাধমের সহিত বিবাদ করিবার মানস আছে তাহা হইলে আমি তোমাকে সঙ্গে করিয়া আনি তাম না । ভাই! পরের মন্দ করা বড়ই সহজ, কিন্তু ভাল করা তেমন সহজ বোধ হয় ন৷ ৷ ” পাল তখন পর্য্যন্তও বর্জিনিয়াকে নামাইয় দেয় নাই, সে মনে ২ করিল আর পোয় দুই তিন পথ বৈ নাই, আমি বর্জিনিয়াকে আর না নামাইয়া একেবারে উহাকে শুদ্ধই ত্রিশিরা পৰ্ব্বতের উপরি আরোহণ করিব । কিন্তু সে ইতিপূৰ্ব্বে পথশ্রমে সাতিশয় ক্লান্ত হইয়াছিল, একারণ বজিনিয়াকে না নামাইয়া অার অধিক ক্ষণ থাকিতে পারিল না । পরে তাহাকে নামাইয়া দুই জনে একত্র বসিয়া বিশ্রাম করিতেছে এমত সময়ে বর্জিনিয়া পালকে কহিতে লাগিল, “দাদ। পাল ! বেলা অবসান হইল, এখন পর্য্যন্তও আমরা বাটতে পহুছিতে পারিলাম না । তোমার এখনও কিঞ্চিৎ শক্তি আছে, কিন্তু আমি নিতাস্ত ক্লান্ত হইয়। পড়িয়াছি ; আমার আর এক পাও চলিবার শক্তি নাই। যাহা হউক, এখন এক কৰ্ম্ম কর, তুমি একবার সত্বরে গৃহে গিয়া জননীদিগের চিন্তা দূর করিয়া আইস ; আমি ততক্ষণ এখানে বসিয়া থাকি ৷ ” এই কথা শুনিয়া পাল কহিতে লাগিল ‘ভগিনি ! বল কি ? আমি এই গৰ্ব্বতীয় বনভূমিতে তোমাকে একাকিনী রাখিয় কোথাও যাইতে পারিব না। যদি এখানে রাত্রি হয়, তাহারি বা এত চিন্তা কি ? দিনের বেলায় যেমন কাষ্ঠে ২ ঘর্ষণ করিয়া আগুন তুলিয়াছি