পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৬৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


○ V) পাল ও বর্জিনিয়া। নিমগ্ন হইয়া ক্লেশ পাইতেছেন আমি তাহারও মুলীভূত কারণ হইয়াছি। আঃ! আমি কি মন্দবুদ্ধি ও রুতক্সের কৰ্ম্ম করিলাম !” এই কথা বলিভে২ নয়নজলে তাহার বক্ষঃস্থল ভাসিতে লাগিল। তথাপি সে ধৈর্য্যপুবর্ধক পালকে সম্বোধন করিয়া কহিতে লাগিল “ দাদা! আর ক্রনদন করিবার আবশ্যক নাই । ভয় কি ? আমির। একান্ত নিরুপায় হইয়াছি, দেখিয়া পরমেশ্বর কি আমাদের নিস্তারের কোন উপায় করিয়া দিবেন না ? । আইস দেখি এখন অমর একান্তচিত্তে একবার তাহাকে ডাকি । তিনি অন্তর্যামী, রুপাকটাক্ষে আমাদিগকে অবলোকন করিয়া অামাদের মনঃ হইতে এই চিন্তা দূর করিয়া দিৰেন সন্দেহ নাই ” । ● এইরূপে তাহারা তদগত চিত্তে মনে২ জগদীশ্বরের প্যান করিতেছে, এমত সময়ে কুকুরের ধ্বনি তাহাদের কর্ণগোচর হইল । ইহাতে পাল কহিতে লাগিল ‘ এ অবশ্যই কোন ব্যাধের কুকুর হইবেক । ৰোধ হইতেছে সে শিকারে অtসিয়া ইতস্ততঃ ভ্রমণ করিয়া বেড়াইভেছে । ক্ষণকাল পরে তাহাদের বোধ হইল, যেন সেই কুকরধ্বনি অতি নিকটেই হইতেছে, তাহাতে বর্জিনিয়া পালকে কহিল “ দাদা ! অনুভব করিয়া দেখ দেখি, আমাদের বাঘার শব্দের মত বোধ হইতেছে না ? তাহার ডাকের শব্দ ঠিক এই প্রকার । বোধ হইতেছে আমাদের বাড়ী এখান হইতে বড় দূর না হইতে পারে। এই সকল কথা বলিতেছে, এমত সময়ে বাঘ। আসিয়া ভাহাদের নিকট উপস্থিত হইল। সে কুকুরট। তখন আহিলাদে এক এক বার তাহাদের পায়ে লঠিতে