পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৮০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বজিনিয়া । * ৬৯ স্তানকে বিশেষ২ শ্রবণমনোহর অথচ সঙ্গত এবং মুললিত নাম দিয়া সুবিখ্যাত করিয়াছিল । অদূরে যে গগুtশল দেখা যাইতেছে, উহার এক স্থান হইতে এই দ্বীপে যে সকল জাহাজ আসিতে থাকে তাহ! বিলক্ষণ রূপে দেখিতে পাওয়া যায়, এ কারণ তাহারা ঐ স্থানের নাম “প্রীতিবিকাশ ” রাখিয়াছিল । উহার উপরিভাগে পাল ও বর্জিনিয়া বিনোদচ্ছলে একটি বেণুদ রোপণ করিয়া রাথিয়াছিল । তথায় তাহারা দণ্ডায়মান হইয়া দূর হইতে আমাকে আসিতে দেখিবামাত্র একখানি পতাকার ন্যায় শুভ্র চীরখ গু সেই বেণুদণ্ডের অগ্রভাগে ভুলিয়া দিত । অতি দূরাগত পোত দর্শনে লোকদিগকে অপর শৈলশিখরে নিশান তুলিতে দেখিয়া, পাল ও বজিনিয়াও সেই প্রকার করিতে শিথিয়াছিল । আমি একদা আপন অ্যালয় হইতে এখানে আসিতে ছিলাম, এমত সময়ে দেখিলাম ষে ভাঙ্গারা অামাকে দেখিয়াই সেইরূপ কাৰ্য্য করিতেছে । ইহাতে আমি মনে করিলাম, যে অামারও ঐ ৰেণুদণ্ডের গাত্রে তাহাদের গুণানুবাদ কিঞ্চিৎ ক্ষোদিত করিয়া রাখা উচিত । অামার মনের কথা এই যে, যদি কখন কালাস্তরে ইহা কাহারে দৃষ্টিপথে পতিত হয়, তবে তাহার মনে অবশ্যই প্রতীত হইবেক যে এ স্তলে কখন না কখন কোন মহোদয়ের৷ বাস করিয়া গিয়াছেন । বৎসণ এ বিষয়ে একটা অবাস্তুর কথা কহিতেছি শ্রবণ কর । একদা আমি পর্য্যটন করিতেই এক অরণ্যময় স্থানে উত্তীর্ণ হইয়া দেখিলাম, তথায় একটি পাষাণময়ী মূৰ্ত্তি