পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৯৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া। b. * কেহ যেন ইহা না জানিতে পারে ” । পালও তদনুসারে কার্য্য করিতে ক্ষণকাল বিলম্ব করিত না । এই রূপে বর্জিনিয়া অলক্ষিতরূপে লোকের উপকার করিয়া কেবল দৈবী রূপাই প্রকাশ করিত । পরমেশ্বর যখন কাহার শুভ করেন তখন র্তাহাকে যেমন কেহ জানিতে পারে না, কেবল তদত্ত শুভ ফল প্রাপ্তি মাত্রই জানিতে পারে, তেমনি বর্জিনিয়াকে কেহ জানিতে .°ाब्रिाउ नां, ८कबल डांशद्र डांछुभं श्रांनूकूजा भाजझे উপলব্ধ হইত । মানবজাতির মন বাল্যকালাবধি কেবল কাপনিক সুখের ভ্রান্তিতেই পরিপূর্ণ হইতে থাকে, স্বাভাবিক মুখানুভবের পরমানন্দ একবারও উদ্ধ ন্ধ হয় না, এবং অন্তরাত্মাও সামান্য জ্ঞানে ব্যাপ্ত হইয়া কেবল ক্লন্ত্রিম সুখাস্বাদনেই তৎপর হয়, কিন্তু প্রকৃতি হইতে যে কি পৰ্য্যন্ত অক্ষয় সন্তোষ পাওয়া যায় তাহা কিছুমাত্রই অনুধাবন নাই । পাল এবং বর্জিনিয়ার নিকট দিন-জ্ঞাপক পঞ্জিকা থাকিত না, সময়নির্ণায়ক ঘটিকাযন্ত্রও থাকিত না, তাহারা পুরাবৃত্তের কোন গ্রন্থ বা কালনিরূপক কোন শাস্ত্র অথবা দর্শনশাস্ত্র প্রভূতির কিঞ্চিম্মাত্রই অপেক্ষা করিত না । তাহীদের জীবদ্দশার সাময়িক ঘটনা সকল কেবল স্বভাবজাত পদার্থের অবস্থtৱ সহিত ঐক্য হইয়া পরিগণিত হইত। তাহার। ব্লক্ষের ছায়া দর্শন করিয়া দিবাভাগের প্রহর দণ্ডাদি সময় নির্ণয় করিত । সময়ে ২ নানাজাতীয় তরুর ফল পুষ্প অবলোকন করিয়া বসন্তাদি ঋতুর পরিচয় প্রাপ্ত