পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৯৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Ꮟ-Ꭽ পাল ও বর্জিনিয়া । হইত। এবং ক্ষেত্র হইতে ধান্যাদি শস্য সংগ্রহের কাল তাহীদের স্থতন বৎসরের দিন বলিয়া নিৰ্দ্ধারিত ছিল । তাহারা সেই সকল প্রকৃতিসম্ভব বস্তুর বিষয়ে যখনই কথোপকথন করিত তখন তাঁহাদের চিত্ত আদ্র ও মোহিত হইতে থাকিত । তাহাদের তৎকালীন মুখানুভব বর্ণন করিয়া ব্যক্ত করা যায় না । যখন কদলীৱক্ষের ছায়া মূলগামিনী হইত তখন বর্জিনিয়া কহিত “আমাদের ভোজনের সময় উপস্থিত । হইয়াছে ” এবং চাকুন্দে পাতা সকল মুদ্রিত হইলে, রাত্রি আগভপ্রায় জানিয়া প্রতিবাসিনী সহচরীর তাহাকে জিজ্ঞাসা করিত ‘‘সখি বজিনিয়ে! আমরাত এখন গৃহে চলিলাম, আবার কতক্ষণ বিলম্বে তোমার সহিত সাক্ষাৎ হইবে ?” বর্জিনিয়া উত্তর করিত “যখন ক্লষকেরা ইক্ষু মাড়িতে আরম্ভ করিবে, সেই সময়ে আমাদের পরস্পর সাক্ষাৎ ছুইৰে ” এই কথায় তাহার প্রত্যুত্তর করিত “সখি! ভাল বলিয়াছ, তোমার সহিত সাক্ষাৎ করিবার সেই সময় উপযুক্ত বটে । ” যদি কেহ তাহাকে তাহার কিম্বা তাহার ভাত; পালের বয়স জিজ্ঞাসা করিত, তাহা হইলে সে কহিত “ ঐ যে পৰ্ব্বতীয় ঝরণার নিকটে একটি বড়, একটি ছোট, দুইটি নারিকেল গাছ দেখা যাইতেছে, আমার ভ্ৰাতা পাল উহার বড়টির বয়সী, এবং আমি ঐ ছোটটির ঠিক সমবয়স্ক । আর শুনিয়াছি আমার জন্মাবধি একাল পর্যন্ত ঐ সম্মুখস্থ আত্মরক্ষটি দ্বাদশবার ফলিয়াছে । এবং আমাদের কমলালেবু গাছের চব্বিশ বার ফুল হইয়াছে। এইরূপ তরুগুল লতাদির সহিত্ত