পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/১৩০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


> by ভারতবর্ষ। পাদে এক শত পঞ্চান্নট (শঙ্করাচার্য্যের মতে এক শত ছাপারটা ), তৃতীয় অধ্যায়ের চারিপদে একশত নব্বইটা, এবং চতুর্থ অধ্যায়ের চারি পাদে আটাত্তরটা । গণনায় স্বত্র-সংখ্যার কোথাও কোথাও কমিবেশী দেধিতে পাই ; তাহার কারণ-কেহ বা একাধিক স্বত্রকে g BB BS BBB BBB BS BBB BBB BBBB BB BBB BBB BBBBB S BBB অধ্যায়ের সাধারণ নাম— সমন্বয়াধ্যায়। এই অধ্যায়ে নানাবিধ শ্রুতি-বাক্যের সমন্বয়-সাধন বা বিরোধ-ভঞ্জন হইয়াছে। প্রথম অধ্যায়ের প্রথম পাদে স্পষ্ট-জ্ঞাপক শ্রুতি-সমূহের, দ্বিতীয় পাদে অস্পষ্ট ব্রহ্ম-ভাবাত্মক শ্রুতি-সযুহের এবং তৃতীয় ও চতুর্থ পাদে সংশয়াত্মক শ্ৰুতি-সমূহের সমন্বয় করা হইয়াছে। দ্বিতীয় অধ্যায়ের সাধারণ নাম—অবিরোধাধ্যায়। এই অধ্যায়ের প্রথম পদে স্বমত প্রতিষ্ঠার জন্য স্মৃতি-তর্কাদি বিরোধের পরিবর্জন, দ্বিতীয় পাদে বিরুদ্ধ-মতে দোষারোপ, তৃতীয় পাদে ব্রহ্ম হইতে তত্ত্বসমূহের উৎপত্তি-প্রমাণ, এবং চতুর্থ পদে ভূত-বিষয়ক শ্রুতি-সমূহের বিরোধ ভঞ্জন করা হইয়াছে । ফলে, এই অধ্যায়ে বিরোধী দার্শনিক মত খণ্ডন-পূৰ্ব্বক মহৰ্ষি বাদরায়ণ বেদান্ত-মতের অবিরোধ প্রতিপন্ন করিয়াছেন । তৃতীয় অধ্যায়ের সাধারণ নাম—সাধনাধ্যায় । এই অধ্যায়ের প্রথম ও দ্বিতীয় পাদে ব্রহ্ম ভিন্ন অন্যের প্রতি আকাঙ্ক্ষ পরিহার-পুৰ্ব্বক ব্ৰহ্ম-প্রাপ্তির সাধনভূত BBBBB BBB BS BBBB BBBS BBS BBB BB BBBBBB BBBBS করিয়া দর্শনকার নিখিল পুরুষার্থহে তু ত্ব বর্ণন করিয়াছেন । সাধন-তত্ত্ব বিচারিত হইয়াছে বলিয়াই, তৃতীয় অধ্যায় সাধন অধ্যায়' নামে অভিহিত হয় । চতুর্থ অধ্যায়ের সাধারণ নাম--ফলাধ্যায় । এই অধ্যায়ের সূত্রসমূহে নানাবিধ সাধনের ফল বিচারিত হইয়াছে। বেদাস্ত দর্শনের ভাষাসমূহের মধ্যে বৌধায়ন-কৃত ভাষাই সৰ্ব্বাপেক্ষা প্রাচীন । DBBBBBS BBB BS BBBBS BBB BBB BBBB BB BBB BBS BB BBS করেন, তৎসমুদায় বিশেষ প্রসিদ্ধ । শঙ্করাচার্য্যের ভায্যের নাম-শারীরিক ভাষা ; রামানুজের ভাষ্যের নাম-শ্ৰীভাষ্য ; মধবাচার্য্যের ভাস্কোর নাম—পূর্ণপ্রজ্ঞ ভাষ্য ইত্যাদি । এতদ্ব্যতীত, বিষ্ণুস্বামী, নিম্বাদিত্য, বিজ্ঞানভিক্ষু, নীলকণ্ঠ, বলদেব, যাদবমিশ্র, DDDS iB BBBB BBBB BBBBBS BBBBBB BB BBBBBS রামামুজের ভাষ্যে বিশিষ্টাদ্বৈতবাদ, বল্লভাচার্য্যের ভাষ্যে শুদ্ধাদ্বৈতাবাদ এবং মধবাচার্য্যের ভাস্তে দ্বৈতবাদ প্রতিষ্ঠিত । নীলকণ্ঠের শৈবভাস্তে শৈবমত এবং বলদেবের গোবিন্দভাস্থ্যে বৈষ্ণব-মত স্থাপিত হইয়াছে । এইরূপ নানা ভাস্তে নানা মত প্রতিষ্ঠিত হইলেও, পণ্ডিতগণ বেদান্ত-দর্শনকে প্রধানতঃ দ্বৈতাদ্বৈত দুই মতের পরিপোষক বলিয়। নিৰ্দেশ कबन । বেদাস্ত-দর্শনের যত ভাষাই প্রচলিত থাকুক, তাহাদের মতে, সকল তাই প্রধানতঃ দুই ভাগে বিভক্ত –(১) অদ্বৈত ভাস্থ্য, (২) দ্বৈত ভাৰ্য। শ্ৰীমৎ শঙ্করাচাৰ্য্যবিরচিত ভাস্থ্যই অদ্বৈত-ভাষ্যের মধ্যে প্রধান ; এবং রামানুজ, মধবাচার্য্য, বিষ্ণুস্বামী, নিম্বাদিত্য, প্রভৃতি প্রণীত ভাৰ্য-চারি-সম্প্রদায়ের চরিখানি দ্বৈত-ভাষ্য বলিয়া প্রসিদ্ধ । গরুড় পুরাণ প্রভৃতি মহাপুরাণে দেখিতে পাওয়া যায়-বেদাস্ত-স্বত্র দুৰ্ব্বোধ্য বুৰিয়া, স্বয়ং ৰ্যালদেবও উহার এক ভাষ্য প্রণয়ন করেন ; সেই তাষ্যই—এমন্তাগবত। দেবর্বি