পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/১৬৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৫২ ৷ ভারতবর্ষ। ব্ৰঙ্কচুর্য্যের কিম্বা সহগমনের উল্লেখ, পঞ্চষষ্টিতম প্রভৃতি অধ্যায়ে বিষ্ণুকে দেবতারূপে পূজার ব্যবস্থা, সপ্তমবতিতম অধ্যায়ে সাস্থ্য ও যোগ-শাস্ত্রের সহিত বৈষ্ণব-ধৰ্ম্মের সামঞ্জস্ত-বিধান, চতুরশীতিতম অধ্যায়ে স্লেচ্ছদেশে গমনাদিতে ধৰ্ম্মহানি-প্রসঙ্গ, পঞ্চাশীৰ্তিতম অধ্যায়ে নানা তীর্থ স্থানের মহিমা কীৰ্ত্তিত হইয়াছে। মধ্যবর্তী অন্তান্ত অধ্যায়ে শ্রীদ্ধের BBBS BBB BBBS BBBBBB BBBB BB BBD BDS BBB BDDS নবনবতিতম অধ্যায়ে বসুমতাঁর প্রশ্নের উত্তরে লক্ষ্মী আপনার অবস্থান-স্থান নির্দেশ করিয়া এই মৰ্ম্মে বলিতেছেন,—“আমি ধৰ্ম্মনিরতা, পরহিতব্ৰতা, সত্যবাদিনী, জিতেন্দ্ৰিয়, উদারচেতা, দয়ান্বিত, মুক্তহস্তী, প্রিয়বাদিনী রমণীগণের মধ্যে বাস করি । রম্য প্রদেশে সাধু ও ধৰ্ম্ম পরায়ণ ব্যক্তির হৃদয়ে, অধ্যয়নসম্পন্ন ব্রাহ্মণে, নিৰ্ম্মল জলে, পূর্ণ-সরোবরে আমার অবস্থিতি।” ইত্যাদি । . চতুর্থ-হারীত-সংহিতা | প্রাচীনকালে মহর্ষি হারীত এই সংহিতার বিষয় বর্ণন করিয়াছিলেন। মার্কণ্ডেয় মুনি, ঋষিদিগের নিকট হারাতের সেই উপদেশ শ্রবণ করেন। তাহার নিকট হইতে অস্বরীষ রাজা উহা শ্রবণ করিয়াছিলেন। প্রথমে হারাত-সংহিতা । মুখে মুখেই এই সংহিতার মৰ্ম্ম প্রচারিত হইয়া আসিতেছিল ; পরিশেষে ইহা গ্রন্থাকারে লিপিবদ্ধ হয় । বৌধায়ন, বাসিষ্ঠ, আপস্তস্ব প্রভৃতির গ্রন্থে স্বত্রাকারে গ্রথিত হারাতের মত উদ্ধত হইয়াছে দেখিতে পাওয়া যায়। সুতরাং এই সংহিতাও প্রথমে সূত্রাকারে প্রচলিত ছিল ; ক্রমশঃ ছন্দাকারে পরিবৰ্ত্তিত হইয়। আসিয়াছে । এই সংহিতা সাত অধ্যায়ে বিভক্ত ; ইহাতে এখন মাত্র এক শত চুরানব্বইটি শ্লোক আছে। এই সংহিতার প্রথম অধ্যায়ে স্থষ্টি-প্রসঙ্গে লিখিত হইয়াছে,—স্থষ্টির প্রাক্কালে জগৎশ্রষ্ট। বিষ্ণু, লক্ষ্মীর সহিত নাগ-পর্যাঙ্কে শয়ান ছিলেন । সেই ষোগনিদ্রাগত ভগবানের নাভিদেশ হইতে একটী মহৎ পদ্মের উৎপত্তি হয়, এবং সেই নাভিপদ্মে বেদ-বেদাঙ্গ-ভূষণ ব্ৰহ্ম৷ আবিভূত হন। তখন তাহাকে বার বার জগৎ স্বষ্টি করিতে বলায়, তিনি ক্রমে ক্রমে স্বই-কার্য সম্পন্ন করেন। দ্বিতীয় অধ্যায়ে, বর্ণচতুষ্টয়ের কৰ্ম্ম-নির্দেশ-পূৰ্ব্বক নরসিংহ দেবতার পূজার প্রাধান্য কীৰ্ত্তিত হইয়াছে । তৃতীয় অধ্যায়ে ব্রহ্মচর্য্যের বিষয়, চতুর্থ অধ্যায়ে গার্হস্থ্য-ধৰ্ম্ম ও নরসিংহের প্রধান্ত-কীৰ্ত্তন, ষষ্ঠ ও সপ্তম অধ্যায়ে আশ্রম-ধৰ্ম্ম ও যোগশাস্ত্রের বিষয় বর্ণিত আছে । এই সংহিতার মতে,—স্বধৰ্ম্মচারী যমুন্য নরসিংহের প্রসাদে নরসিংহ-পদ প্রাপ্ত হইতে পারেন। : পঞ্চম-যাজ্ঞবল্ক্য-সংহিতা। যোগীশ্বর ধাজ্ঞবল্ক্য এই সংহিতার প্রবর্তক। তিনি সামশ্ৰবা প্রভৃতি যুনিগণের নিকট বর্ণাশ্ৰম-ধৰ্ম্ম-বিষয়ে, ব্যবহার-শাস্ত্র সম্বন্ধে এবং - প্রায়শ্চিত্তাদি প্রসঙ্গে যাহ বলিয়াছিলেন, পরবর্ধি-কালে তাহাই এই ধাজ্ঞবল্ক্য-সংহিতা। সংহিতাঙ্কারে লিপিবদ্ধ হয়। রাজর্ষি জনকের রাজসভার যে ধাজ্ঞবক্যের পরিচয় পাই, যাজ্ঞবল্ক্য-সংহিতা-প্রবর্তক যাজ্ঞবল্ক্য এবং সেই ধাজ্ঞবল্ক্য উড়য়ে অভিন্ন ব্যক্তি কিনা, তৰিয়ে মতান্তর আছে। কেহ বলেন,—জনকরাজ সঙ্গর যাজ্ঞবল্ক্যই এই সংহিতার প্রবর্তৃক ; কেহ বলেন,-প্তাহার বংশধর অপর কোমও যাজ্ঞবল্কা