পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/১৬৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কর্তৃক ইহা প্রণীত হইয়াছিল । কিন্তু এই সংহিতার প্রারস্তে যে দুইটী শ্লোক আছে, তাহাতে এই সংহিতাকার মিথিলাস্থ এবং ‘যোগীশ্বর যাজ্ঞবল্ক্য" বলিয়। উক্ত হুইয়াছেন । সুতরাং জনক-রাজসভার ধাজ্ঞবল্ক্য-ঋষিই এই সংহিতার প্রবর্তক বলিয়া মনে হইতে পারে । বিশেষতঃ, এই সংহিতায় রাজধৰ্ম্ম, ব্যবহার-বিধি, দায়ভাগ, মিতাক্ষর প্রভৃতি বিষয়ে যে সকল সার-তত্ত্ব প্রকটত আছে, তাহাতে এই গ্রন্থের বীজাঙ্কুর কোনও শ্রেষ্ঠ নৃপতির শাসন-সময়ে বিনির্গত হইয়াছিল—তাহাই মনে হওয়া সম্ভবপর। এই সংহিতা তিনটী অধ্যায়ে স্বাদশাধিক সহস্ৰ শ্লোকে সম্পূর্ণ। ইহার প্রথম অধ্যায়ে,—গর্ভাধান, বিবাহ, যজ্ঞ, শ্ৰাদ্ধ ও বর্ণসঙ্কর উৎপত্তির কথা আছে ; ভক্ষ্যাভক্ষ্য প্রকরণ অর্থাৎ কোনরূপ খাদ্য বা কোনরূপ পাত্রে ভোজন করা কর্তব্য, শুদ্ধি-প্রকরণ ও নানাবিধ পূজা-পদ্ধতির বিষয় বর্ণিত হইয়াছে। দ্বিতীয় অধ্যায়ে,-- ব্যবহার-শাস্ত্রের বিষয়, অর্থাৎ ঋণদান, ঋণ-গ্রহণ, প্রতিভূ-প্রকরণ, সাক্ষি-প্র করণ, লেখ্য-প্রকরণ, দিব্য-প্রকরণ, দায়ভাগ-প্রকরণ, দণ্ড-পারুষ্যপ্রকরণ, সাহস-প্রকরণ, সস্তৃয়-সমুখীন প্রকরণ, স্ত্রী-সংগ্ৰহ-প্রকরণ প্রভৃতি বিষয়ের উল্লেখ আছে । তৃতীয় অধ্যায়ে,—অশৌচ-প্রকরণ, আপদ্ধৰ্ম্ম প্রকরণ, যতি-প্রকরণ, অধ্যাত্ম-প্রকরণ, প্রায়শ্চিত্ত-প্রকরণ প্রভৃতি পরিবর্ণিত । এই যাজ্ঞবল্ক্য-সংহিতার অন্তর্গত দায়ভাগ-প্রকরণ আজি পর্য্যন্ত আইন মধ্যে পরিগণিত হইয়া থাকে । এই দায়ভাগের বচন-পরম্পর উদ্ধার করিয়া বিজ্ঞানেশ্বর ভট্টারক মিতাক্ষর' এবং জীমূতবাহন দায়ভাগ গ্রন্থ সঙ্কলন করেন। আজিও ভারতবর্ষে পিতৃ-পিতামহ-আত্মীয়-স্বজন-পরিত্যক্ত বিষয়-সম্পত্ত্বি সেই মিতাক্ষর ও দায়ভাগ অনুসারেই উত্তরাধিকারিগণের মধ্যে বিভাগ হইয়া থাকে। বঙ্গদেশে দায়ভাগ এবং বঙ্গদেশ ভিন্ন ভারতের অক্ষত্র মিতাক্ষর প্রচলিত । পিতা জীবন-কালে পুত্রদিগকে কিরূপভাবে সম্পত্তি বিভাগ করিয়া দিতে পারেন, পিতার ইচ্ছায় পিতামহ-সম্পত্তি কেন অসম-তাগে বিভাগ হইতে পারে না, এবং পিতা শাস্ত্রবিরুদ্ধ বিভাগ করিলে কিরূপে তাহ। রহিত হইতে পারে, মাতু-ধন কিরূপে বিভাগ হইয়া থাকে, কোন সম্পত্তিতে কাহার কিরূপ অধিকার বৰ্ত্তিতে পারে ;–এই সকল বিষয় এই সংহিতার দায়ভাগ-প্রসঙ্গে আলোচিত হইয়াছে। মধুসংহিতায় উচ্চবর্ণ নিয়-বর্ণের কন্যা বিবাহ করিবার বিধি ছিল ;–যদিও সে বিধি ইতর-বিধি বলিয়া উক্ত হইয়াছিল ;–কিন্তু যাজ্ঞবল্ক্য তাহাও নিষেধ করিয়া যান। * ষষ্ঠ-উশন:-সংহিত। ভৃগু-বংশীয় ঔশনঃ, ঋষি-মণ্ডলীর নিকট ধৰ্ম্মার্থকামমোক্ষের হেতুভূত যে শাস্ত্রতত্ত্ব বর্ণনা করিয়াছিলেন, প্তাহার পুত্ৰ উশন, সৌনকাদি মুনিগণের নিকট তাছাই কীৰ্ত্তম স্তরেম । এই সংহিতায় তাহাই পরিবর্ণিত উশনঃ– উপন্য-সংহিতা মুরগুরু শুক্লাচার্য্যের অপর নাম বলিয়। কথিত হয়। তিনি কবি এবং গাষাকার বলিয়া প্রসিদ্ধ ছিলেন। এই সংহিতা নয়টি অধ্যায়ে এবং ই শত কুড়িটা শ্লোকে সম্পূর্ণ। এই সংহিতায় অশৌচ-বিধি,শ্ৰাদ্ধ-পদ্ধতি, ভক্ষ্যাভক্ষ্য-বিচার, এবং নানাবিধ প্রায়শ্চিত্তের কথা আছে। সমুদ্র-বাঙ্গাকারী পিতৃশ্ৰান্ধে অধিকারী নহে,-" गरिडाइ उच् इश्विारिह। बक्रा, बिङ्ग, थरश्षत्र जिन्द्र बः उकाप्द्रन्न ७१* पाञदकन्नशश्छि,अशश अशाङ्कतन्लदशाक्Tबश्नश्डि ड्डीब्र अशारङ्गज ৪১শ শ্লোক ।