পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/৪১৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8 * 。 ভারতবর্ষ। পুরুষোত্তম মহাতীর্থের সহিত যাহার নাম চির-সংগ্রথিত রহিয়াছে, সেই ইন্দ্রতুল্য পরাক্রমশালী ইন্দ্ৰস্থ্যর নরপতির পরিচয়ই বা বংশ-লতার কোথায় পাই ? সেই সত্যবাদী, ২an, সৰ্ব্ব-শাস্ত্রজ্ঞ ব্ৰহ্ম-নিষ্ঠ নৃপতি সত্য-যুগে বিদ্যমান ছিলেন। মালৰ-দেশে অবন্তী নামে যে ভুবন-বিশ্রুত নগরী ছিল, সেই নগরেই রাজা ইন্দ্রছায় ******' রাজধানী স্থাপন করিয়াছিলেন। রাজা ইন্দ্রস্থায় সসাগর। পৃথিবীর অধীশ্বর ছিলেন। তাহার রাজধানী অবস্তী-নগরী হৃষ্ট-পুষ্ট জনগণে পরিপূর্ণ ছিল । সুদৃঢ় প্রাকার, তোরণ, যন্ত্র, অর্গল, দ্বার ও পরিখ সমূহে নগরী সৰ্ব্বদা সুশোভিত ও সুরক্ষিত থাকিত। ‘সে নগরে নানা দেশীয় বণিক-সম্প্রদায়, রাশি রাশি দ্রব্য-সম্ভার, নানা রথ্যা এবং নান। আপণ বিদ্যমান ছিল । রাজহংসের ন্যায় শুভ্রবর্ণ চিত্র-বিচিত্র ও মনোহর শত শত সহস্ৰ সহস্র প্রাসাদের দ্বারা ঐ নগরী অলঙ্কত থাকিত । কত হস্তী, কত অশ্ব, কত রথ, কত পদাতি, কত বর্ণের কতরূপ ধ্বজ-পতাকা, কত দেশের কত যোদ্ধপুরুষ এবং কত জনসমূহ যে সেখানে বসতি করিত, তাহার ইয়ত্ত নাই। ঐ নগরী যজ্ঞোৎসবে সৰ্ব্বদা আমোদিত এবং গীত-বাদিত্র-রবে সৰ্ব্বদা মুখরিত ছিল। সৰ্ব্বগুণাকর রাজা ইন্দ্রছায় পৃথিবী-পালনে নিরত হইবার পর, শ্ৰীহরির আরাধনার জন্য ব্যাকুল হন। কোন ক্ষেত্রে, কোন তীর্থে, কোম্ তীরে, কোন আশ্রমে, দেবদেব জনাৰ্দ্দনের আরাধনা করা শ্রেয়ঃ, এইরূপ চিন্তাক্রান্ত হইয়া, তিনি মহীস্থ তীর্থক্ষেত্র-সমূহ পর্যটন করেন। পরিশেবে মুক্তিপ্রদ পুরুষোত্তম-ক্ষেত্রে উপনীত হইয়া, প্রভূত দক্ষিণ-প্রদান-পূর্বক, যজ্ঞানুষ্ঠানে প্রবৃত্ত হন। সেই সময়ে তাহার মনে শ্ৰীহরির প্রাসাদ-নিৰ্ম্মাণের চিন্তা সমুদিত হয়। কোন মূৰ্ত্তিতে, কি ভাবে উtহাকে প্রতিষ্ঠা করিলে, ওঁtহার আবির্ভাব হইতে পারে, আহার-নিদ্রা পরিত্যাগ করিয়া, রাজা অন্ধুক্ষণ তাহাই ধ্যান করিতে লাগিলেন । তখন, শ্ৰীহরি স্বপ্নে দর্শন দিয়া, তাহাকে বলিলেন,—“তোমার ভক্তিতে ভগবান প্রীত হইয়াছেন । নিশা-অবসানে, সাগরজলে, তুমি এক মহাবৃক্ষ দেখিতে পাইবে। তাহাতে শঙ্খ-চক্রের চিহ্ন আছে। সেই বৃক্ষে ভগবানের প্রতিম। নির্মাণ করিও । ভগবান সেই প্রতিমায় চির-বিদ্যমান থাকিবেন।” প্রভাতে রাজা ইন্দ্রস্থায় স্বহস্তে কুঠার গ্রহণ-পূর্বক যখন সমুদ্র-তীরে গমন করিলেন, বিষ্ণু এবং বিশ্বকৰ্ম্ম উভয়ে ব্রাহ্মণ-ৰেশে তাহাকে দর্শন দিলেন। সমুদ্রে মহাবৃক্ষ ভাসমান ছিল । ব্রাহ্মণরূপী বিশ্বকৰ্ম্ম৷ এবং বিষ্ণুর সাহায্যে ইন্দ্রস্থায় ত দ্বার প্রতিম প্রস্তুত করাইলেন তিনটা মূৰ্ত্তি নিৰ্ম্মিত হইল। প্রথম মুৰ্ত্তি—শুক্লবৰ্ণ, শরচ্চন্দ্র-সমদ্ধতি, আরক্ত-নেত্র, ফণিক্ষণাকুল মস্তক, নীলাম্বরধর, বলমদ-গৰ্বত, এক-কুণ্ডলধারী, গদাযুম্বলপাণি—বলদেব। দ্বিতীয় যুক্তি-নীলঙ্গীযুত-সন্নিত, পুওরীক ময়ন, অতসী-পুস্প-সঙ্কাশ পদ্মপত্রায়ত-নেত্র, পীতবাস, শ্ৰীবৎসবক্ষণ, সৌম্যবপু৷ চক্ৰধারী, সৰ্ব্বপাপহারী—ঐরি। তৃতীয় মূৰ্ত্তি—স্বৰ্ণ-বৰ্ণাভ, পদ্ম-পলাশ-নেত্র, বিচিত্র-বস্ত্রপরিস্থিত, হার-কেয়ূর-ভূষিত, বিচিত্রাভরণযুক্ত, রত্নহার সমলস্থত, পীনোন্নতস্তনী, মনোহারিণী । —সুভদ্র । এই তিন মূৰ্ত্তি নিৰ্ম্মাণ করিয়া, বিশ্বকৰ্ম্ম দিব্যালঙ্কারে তাহাদিগকে ভূষিত BBBBB S BBBB BBBBB BBBS BBBS BDDBBBB BBB BBBB BBBS BB DD DDD BBBBB DDB BBB BBBBSBBBB BBBB SBBB S