পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/৪৫৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


88७ ভারতবর্ষণ . তজত উiহাতে গুণক্ষোভ-জমিত কোনও চাপল্য নাই। তিমি সত্য, পরিপূর্ণ, জন্ম-নাশরহিত, নিগুণ এবং নিত্য অদ্বৈত। মুনিদিগের দেহ, ইন্দ্রিয় ও মন নিৰ্ম্মল হইলেই র্তাহার। তাহাকে ঐ রূপে জানিতে পারেন। কিন্তু কুতর্ক দ্বারা আচ্ছাদিত হইলেই তাহার ঐ রূপ তিরোহিত হয়। যে পুরুষ প্রকৃতির প্রবর্তক, তিনিই ভগবানের প্রথম অবতার। তদ্ভিন্ন অদৃষ্ট, স্বভাব, কার্য ও কারণ-রূপী প্রকৃতি, মন-মহাভূত, অহঙ্কার-তত্ত্ব, গুণত্রয়, ইঞ্জিয় সকলের সমষ্ট-ভূত বিরাট শরীর, বৈরাজ-পুরুষ, স্থাবর, জঙ্গম, আমি, রুদ্র, বিষ্ণু, প্রজাপতিগণ, অন্যান্য দেবর্ষিগণ, স্বলোকপাল, খ-লোকপাল, মকুফু-লোকপাল, পাতালাদিপাল, গন্ধৰ্ব্বপতি, বিদ্যাধরপতি, চারণপতি, যক্ষপতি, উরগপতি, নাগপতি, ঋষিশ্রেষ্ঠ, পিতৃশ্রেষ্ঠ, দৈত্যেন্ত্র, সিদ্ধেশ্বর, দানবেন্দ্র, প্রেতপতি, পিশাচপতি, ভূতনাথ, কুষ্মাণ্ডাধিপতি, যাদোনাথ, মৃগয়াজ, পক্ষিরাজ, এবং লোকে যে কিছু ঐশ্বব্যশালী, তেজঃশালী, ইন্দ্ৰিয়-শক্তি-সম্পন্ন, মন শক্তি-সম্পন্ন বলবান ক্ষমাবান, শোভাশালী, সম্পত্তি-সম্পন্ন লক্ষাশালী, বুদ্ধিমান অস্তুত বর্ণণালী, রূপ-সম্পন্ন ও বিরূপাকৃতি—সে সকলই সেই পরতত্ত্ব অর্থাৎ পরম-পুরুষ ভগবানের বিভূতি বা অবতার।” * ভাগবত এইরূপে একবিধ অবতারের পরিচয় প্রদান করিয়া, পরিশেষে ভগবানের অন্যবিধ অবতার-লীলাবতার-প্রসঙ্গ উত্থাপিত করিয়াছেন। ভাগবতের মতে লীলাবতার অসংখ্য। প্রথম—বরাহ । দ্বিতীয়—সুযজ্ঞ ; ত্রিলোকের মহতী পীড়া নষ্ট করিয়া স্বায়স্তৃব মন্থ কর্তৃক তিনি হরি-নামে অভিহিত হন। তৃতীয়—দত্ত ; অত্রি মুনি পুত্ররূপে ভগবানকে পাইবার প্রার্থনা করায়, “আমি আমাকেই দান করিলাম” বলিয়া, ভগবান তাহার গৃহে আবিভূর্ত হইয়াছিলেন ; তজ্জন্যই দত্তাত্রেয়’ নাম। যন্ধ ও হৈহয় প্রভৃতি তৎকর্তৃক উপদিষ্ট হইয়। মুক্তিলাভ করেন। চতুর্থ-সনৎকুমার ; পঞ্চম—সনক ; ষষ্ঠ—সনন্দ ; সপ্তমসনাতন। লোক স্বষ্টির অভিপ্রায়ে ব্রহ্মা পূৰ্ব্বে ‘সন অর্থাৎ অখণ্ডিত তপস্যা করিয়াছিলেন। ভগবান তাহাতে সনৎকুমারাদি চারি ‘সন'-রূপে উৎপন্ন হন। পূৰ্ব্ব-কল্পের প্রলয়-কালে যে আত্ম-তত্ত্ব নষ্ট হুইয়াছিল, ‘সন'-রূপে ভগবান তাহারই উপদেশ দিয়াছিলেন। অষ্টম— নরনারায়ণ। দক্ষ-দুহিত ও ধৰ্ম্ম-ভাৰ্য্যা মূৰ্ত্তির গর্ত্তে ঐ রূপে খ্ৰীহরি অবতীর্ণ হন। এই অবতারে কাম-ক্ৰোধ-শৃঙ্গ-ভাবের বিকাশ পাইয়াছিল। নবম—এব অবতার। র্তাহার তপস্ত-প্রভাবে ধ্রুবলোকের স্বষ্টি হয়। দশম—পৃথু। উচ্ছ স্থল বেণ-রাজা ব্ৰহ্মশাপ-রূপ বজে দঙ্গীভূত হইলে, ঋষিদিগের প্রার্থনায়, নারায়ণ বেণের পুত্র-রূপে অবতীর্ণ হন। সেই অবতারে পিতার উদ্ধার-সাধন করিয়া, তিনি পুত্র-নামের সার্থকতা সম্পাদন করিয়াছিলেন। একাদশ–খবভ। অগ্নি-পুত্র নাভির ভাৰ্য্যা স্বদেবীর গর্ভে ঋষভ-রূপে অবতীর্ণ হইয়া, শাস্তেপ্রিয় বিষয়াসক্তি-হীনতা-প্রভাবে তিনি পারমহস্তেপদ লাভ করিয়াছিলেন। দ্বাদশ–হয়গ্রীব। এই অবতারে ভগবান জখ-যন্ধক ধারণ করিয়া, ব্ৰহ্মার যজ্ঞে অবতীর্ণ হইয়াছিলেন, এবং তদ্বারা নিখিল ৰেদ প্রকাশ পাইয়াছিল। রয়োদশ-মৎস্ত অবতার ; বৈবশ্বত মন্বস্তরের অবসান-কালে, প্রলয় উপস্থিত হইলে, বেদবাণী ভ্ৰষ্ট হয় দেখিয়া, মৎস্ত-রণী ভগবান সেই বেদবাণী লইয়া সলিল-গর্তে - *壽 झनरक,क्किाश्चल, कई अषाड्न, ००ण इश्रङ ssन् cङ्गाक जडेन !