পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/৫৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বেদ-চতুষ্ট্রয় | 82 করা হইয়াছে,-“পুরুষ যখন বিভক্ত হন, তখন তিনি কয় ভাগে বিভক্ত হইয়াছিলেন ? ঙাহার মুখ, বাহু, উরু, পদ–কি আকার ধারণ করিয়াছিল ?" প রক্ষণেই তাহার উত্তর দেখিতে পাই,—“র্তাহার মুখে ব্রাহ্মণ, বাহু-যুগলে রাজনা, উরুদ্বয়ে বৈপ্ত এবং পদবুগলে পূদ্র উৎপন্ন হইয়াছিল ।” * তবেই বুঝা যায়,-পুরুষ-স্মৃষ্টির আদিকালেই ব্রাহ্মণাদি বর্ণ-চতুষ্টয়ের স্থই । পরবর্তী শাস্ত্রাদিতে এই বিষয় অধিকতর বিশদভাবে আলোচিত হইয়াছে । এই জাতি-বর্ণ-ভেদই ভারতবর্ষের বিশেষত্ব। পৃথিবীর অন্য যে কোনও দেশের প্রতি দৃষ্টপাত করুন, বিভিন্ন সম্প্রদায়ে বিভক্ত হইলেও, সকল দেশের অধিবাসিগণই আপনাদিগকে এক-জাতি বলিয়া পরিচয় দিতে কুষ্ঠিত হয় না ; কিন্তু ভারতবর্ষের আর্য্যহিন্দুগণ তদ্বিষয়ে সম্পূর্ণ বিপরীত-ভাবাপন্ন। ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশু, শূদ্র,— প্রধানতঃ র্তাহাদের এই চারি বর্ণ। তাহা হইতেই অসংখ্য শাখা-উপশাখা উৎপন্ন হইয়া, ভারতবর্ষের সমাজ-শরীর পুষ্ট করিয়া আছে । ভারতবর্ষের জল-বায়ুর সহিত বুঝি বা এই জাতিভেদপ্রথার ওতঃপ্রোত সম্বন্ধ । বিভিন্ন ধৰ্ম্মের, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের, বিভিন্ন মতের অভিঘাতে ভারতের সমাজ-শরীর এখন জীর্ণ শীর্ণ ; কিন্তু জাতিভেদ-প্রথা এখনও এমনিভাবে মজ্জায় মজ্জায় শিরায় শিরায় অনুপ্রবিষ্ট হইয়া রহিয়াছে যে, কোনক্রমেই তৎপ্রতি উপেক্ষা প্রদর্শনের ক্ষমতা সমাজের নাই। এখনও, ব্রাহ্মণ দেখিলে, সৎ-শূদ্র মাত্রেই প্রণাম না করিয়া তৃপ্তিলাভ করিতে পারেন না। এখনও—এতাদৃশ সাম্য-স্বাধীনতার দিনেও, এক ৰণ অন্য বর্ণের সহিত বিবাহ-সম্বন্ধ স্থাপন করিতে কুণ্ঠ বোধ করেন । এখনও, সমাজে, ধৰ্ম্মে, ক্রিয়া-কৰ্ম্মে, আচারে-ব্যবহারে, বর্ণগত-পার্থক্য সৰ্ব্বত্র দৃষ্ট হয়। এ পার্থক্য যদি মনুষ্য-কৃত হইবে, তাহা হইলে এত কাল ধরিয়া এমন অবিসস্বাদিত সত্য-রূপে ইহ। কখনই অব্যাহত থাকিতে পারিত না। যাহা মনুষ্য-স্থই, তাহা বিনশ্বর-অস্থায়ী । অপিচ, যাহা অবিনশ্বর, অনাদি অনন্তকাল হইতে বিরাজমান, ঈশ্বরের স্বই ভিন্ন তাহাকে আর কি বলিতে পারি ? যাহার বেদ মানেন, বেদের অপৌরুষেয়ত্ব স্বীকার করেন,—তাহারা কখনই জাতিবর্ণ-সম্বন্ধে অন্যমত হইতে পরিবেন না। তবে র্যাহার বেদের প্রামাণ্য স্বীকার করেন না, তাহারা যে এ বিষয়ে অন্যমত প্রকাশ করিবেন,—তাহাতে আর আশ্চর্য্যের বিষয় কি আছে ? অধিক বলিব কি, তাহারা ঐ বৈদিক যুক্তটাকেই উড়াইয়া দিবার চেষ্টা পাইয়া থাকেন। প্রথমে ইউরোপীয় পণ্ডিত মিঃ কোলক্রক ঐ ণদিক স্বজটকে প্রক্ষিপ্ত বলিয়া প্রমাণ করিতে প্রয়াস পাইয়াছিলেন । তিনি বলেন,— বৈদিক-ভাষার সহিত সামঞ্জস্ত রক্ষা করিতে গেলে, ঐ যুক্তটা পরবর্তি-কালে বেদের সহিত্ত সংযুক্ত হইয়াছিল বলিয়। বুঝিতে পারা যায়। সাহেব কো ক্রক যখন এই_ৰৰ

  • কম্বেন্ধের পুরুষ-স্বৰুের দশম মণ্ডলে জাতিভেদ ৰিষয়ক এই ঋকৃ-ম্বর দৃষ্ট হয়,

“ঘৎ পুরুষং ব্যদধুঃ কতিধা ব্যকল্পয়ন । মুখং কমন্ত কে বাহু কা উরুপদি উচ্চেতে । রাহ্মণোহন্ত মুখমাসীদ্ধাতু রাজক্টঃ কুত: । উরু তদস্য ঘদ্বৈখ্য: পণ্ড্যাং খুঞ্জেী অজায়ন্ত ॥" - BB BBBBBB BB BD DBD DDDD DDDD DDBBB BBBBBB BBB SBS BBAAAA লাঙ্কি অপনোদনের জন্য দশম মণ্ডলের এই স্থক উদ্ধত করা হইল ।