পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/৭৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


. . . . . . . . . . . . . . . ব্রাহ্মণ, আরণ্যক, উপনিষৎ ৬৭ SBBB BBS BB BBS BBB BB BBBBBS BB BBBBS DDB BBBBS DB BBB BBS BB BBBBS BB BBBBBS BB BBBBS BB BBBBS DDD BBDDDS DD D BBBS BB BBBBD DDD DDBBB BB BBD DDS আমার ক্ষুদ্র হৃদয়ে, তণ্ডুলের কণা হইতে ক্ষুদ্র, যবের কণা হইতে ক্ষুদ্র, সরিষার কণা হইতে ক্ষুদ্র, তৃণবঙ্গের কণা হইতে ক্ষুদ্র, আত্মাৰূপে অবস্থিত ; অন্ত দিকে, তিনিই আবার সেই আত্মা-রূপে, পৃথিবী অপেক্ষ। বৃহৎ, আকাশের অপেক্ষ বৃহৎ, দিব্যলোকের অপেক্ষ বৃহৎ, সকল ভুলোকের অপেক্ষ বৃহৎ। তিমিই সকল কাৰ্য্য করাইতেছেন ; তাহার ইচ্ছাতেই সকল কাৰ্য্য হইতেছে ; সকল গন্ধ, সকল রস,—তিনিই সকলের মূলীভূত । এখানেও তিনি ; আবার ইহসংসার পরিত্যাগের পরও তাহাতেই আশ্রয় পাইব ।” পরব্রহ্মের এই বিশ্বব্যাপক ভাব, উপমা দ্বারা কিরূপ বিশদীকৃত হইয়াছে, উক্ত ছান্দোগ্য উপনিষদেরই ষষ্ঠ প্রপাঠক নবম খণ্ড হইতে তাহাও দেখাইতেছি । ঋষি উদ্ধাঙ্গক কারুশি আপন পুত্র শ্বেতকেতুকে পরমাত্মার বিষয়ে এইরূপ উপদেশ দিতেছেন—“বৎস! মধুমক্ষিকাগণ বৃক্ষ হইতে বৃক্ষান্তরে পরিভ্রমণ করিয়৷ মধু সংগ্রহ-পূর্বক মধুচক্র রচনা করে । সেই মধুচক্রে বিবিধ বৃক্ষের বিবিধ পুষ্পের মধু একত্রীভূত হইলে, কোন বৃক্ষের বা কোন জাতীয় পুষ্পের মধু কোথায় রহিল, কেহই তাহ নির্ণয় করিতে পারে না । প্রাণি-সমূহও সেইরূপ জানিবে । তাহারাও যখন সেই পরমাত্মায় বিলীন হইবে, তখন আর কোনক্রমে আপন অস্তিত্ব অনুসন্ধান করিয়া পাইবে না। আরও পুত্র, ঐ দেখ নদী-সমূহ!—কোনটি পূৰ্ব্বাভিমুখে, কোনটি পশ্চিমাভিমুখে প্রধাবিত ; কিন্তু সকলেই সাগরে সম্মিলিত হইতেছে ; প্রকৃত । পক্ষে সাগরেই মিশিয়া যাইতেছে। কেবল তাহাই নহে ;–সাগর হইতেই তাহাদের উৎপত্তি –সাগর-সঙ্কাত বাশেই তাঁহাদের পরিপুষ্ট! অথচ, তাহার কখনও বলিতে পারে কি,-সাগরের কোন প্রান্তে কোথায় কাহার অবস্থিতি ছিল ? কখনই না । পুত্র! প্রাণিসমূহকেও সেইরূপ জালিবে । তাহারাও সেই সত্যস্বরূপ পরমাত্মা হইতে । উদ্ভূত হইয়াছে বটে ; কিন্তু জানে না ৰে, কোথা হইতে আসিয়াছে।" বিষয়টি অধিকতর বিশদভাবে বুঝাইবার জন্তু, পুত্রকে খুৰি আরও কহিলেন,—“পুত্র! আপাততঃ এই ৷ লবণগুলিকে ঐ জল মধ্যে রাখিয়া আইল । কাল প্রস্তাতে পুনরায় এই বিষয়ে কথাবাৰ্ত্ত । হইবে।” পুত্ৰ শ্বেতকেতু পিতৃ-আজ্ঞা পালন করিলে, পরদিন প্ৰতাতে ধৰি উদালক কহিলেন,—“কাল রাত্রে জলমধ্যে যে লবণ রাখিয়া আসিয়াছ, তাহ আনয়ন কর।” পুত্র দেখিলেন,—জলে লবণের চিহ্ন মাত্র নাই ; সমস্তই গলিয়া গিয়াছে। পিত্তা কহিলেন,-“ভাল, উপর হইতে একটু জলের শাস্বাঙ্গ লইয়া দেখ দেখি! কোন লাগিতেছে?” পুত্র উত্তর করিলেন,-“লবণাক্ত।" পিতা পুনরপি কহিলেন,-“মধ্যের একটু জলের আস্বাদ লইয়া দেখ দেখি ” আশ্বাদ গ্রহণ করিয়া, পুত্র একই উত্তর দিলেন। পিতা অতঃপর নিয় হইতে কিঞ্চিৎ জল তুলিয়া লইয়া আস্বাদ করিতে কহিলেন । পুত্র । ফেলিয় দেও ৰাহ বলিতেছি, বুঝিার চেষ্টা কর।”