পাতা:প্রবন্ধ পুস্তক-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/১৪৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


>○や প্রাচীন এবং নবীন ! অবনতি আরও গুরুতর হইয়াছিল। পুরুষ প্রভু, স্ত্রী দাসী ; স্ত্রী জল তুলে, রন্ধন করে, বাটন বাটে, কুটনা কোটে। বরং বেতনভাগিনী দাসীর কিঞ্চিৎ স্বাধীনতা আছে, কিন্তু বনিত। দুহিতা স্বসার তাছাও ছিল না। আজি কালি, পুরুষের শিক্ষার গুণে হউক, স্ত্রীশিক্ষার গুণে হউক, বা ইংরেজের দৃষ্টাস্তের গুণে হউক, এ অবস্থার পরিবর্তন হইতেছে। কিন্তু যেরূপ পরিবর্তন হইতেছে, তাহার সৰ্ব্বাংশই কি উন্নতিসূচক ? বঙ্গীয় যুবকদিগের যে অবস্থান্তর ঘটিতেছে তাহার বিশেষ আন্দোলন শুনিতে পাই, কিন্তু বঙ্গীয় যুবতীগণের যে অবস্থান্তর ঘটয়াছে,_ তাহা কি উন্নতি ? এ প্রশ্নের উত্তর দিবীর পূৰ্ব্বে পূৰ্ব্বকালে বঙ্গীয়া যুবতী কি ছিলেন, এক্ষণে কি হইতেছেন, তাহ স্মরণ করা আবশ্যক। প্রাচীনার সহিত নবীনার তুলনা আবশ্যক। পূৰ্ব্বকালের যুবতীগণের নাম করিতে গেলে, আগে শাখা শাড়ী সিন্দুরকেট মনে পড়িবে ; বঁাকমলের মুটাম হাত উপরে মনসা পেড়ে শাড়ীর রাঙ্গা পাড় আসিয়া পড়িয়াছে ; হাতে পৈছা, কঙ্কণ, এবং শংখ, (যাহার জুটিল তাহার বাউট নামে সোনার শংখ্য— মুষ্টিমধ্যে দৃঢ়স্কৃত সন্মাজনী, বা রন্ধনের বেড়ী ; কপালে, কল৷ বউয়ের মত সিন্দুরের রেখা, নাকে চন্দ্রমণ্ডলের মত নথ ; দাতে অমাবস্যার মত মিশি ; এবং মস্তকের ঠিক মধ্যভাগে, পৰ্ব্বত শৃঙ্গের ন্যায় তুঙ্গ কবীশিখর। আমরা স্বীকার করি যে সেকেলে মেয়ে যখন গাছকোমর বাধিয়া, ঝাঁট হাতে খোপ খাড়া করিয়া, নখ নাড়িয়া, দঁাড়াইত, তখন অনেক পুরুষের হৃৎকম্প হইত। যাহার এবম্বিধা প্রাঙ্গণবিহারিণী রসবতীর সঙ্গে বানানুবাদ সাহস করিতেন, তাহার একটু गउर्रु श्छ। मून मैं ख़ाईtडन । ईशग्ना ¢काकरन बिcभष