পাতা:প্রবন্ধ পুস্তক-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/৬৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ぐや সাংখ্যদর্শন । তাহার অস্তিত্বেরও প্রমাণ নাই। যেখানে অস্তিত্বের প্রমাণ নাই, সেখানে মানিব না। অনস্তিত্বের প্রমাণ নাই থাক, যতক্ষণ অস্তিত্বের প্রমাণ না পাইব, ততক্ষণ মানিব না। অস্তিত্বের প্রমাণ পাইলে তখন মানিব। ইহাই প্রত্যয়ের প্রকৃত নিরম । ইহার ব্যতারে যে বিশ্বাস তাহা ভ্রান্তি। “কোন পদার্থ আছে এমত প্রমাণ নাই বটে, কিন্তু থাকিলে থাকিতে পারে," ইহা ভাবিয়া যে সেই পদার্থের অস্তিত্ব কল্পনা করে সে ভ্রান্ত । অতএব নাস্তিকের দুই শ্রেণীতে বিভক্ত হইলেন। যাহারা কেবল ঈশ্বরের অস্তিত্বের প্রমাণাভাববাদী,—র্তাহার বলেন, ঈশ্বর থাকিলে থাকিতে পারেন,-কিন্তু আছেন এমত কোন প্রমাণ নাই । অপর শ্রেণীর নাস্তিকের বলেন যে ঈশ্বর আছেন, শুধু ইহারই প্রমাণাভাব, এমত নহে, ঈশ্বর যে নাই, তাহারও প্রমাণ আছে । আধুনিক ইউরোপীয়ের কেহ কেহ এই মতাবলম্বী। একজন ফরাসিস লেখক বলিয়াছেন, তোমরা বল ঈশ্বর নিরাকার, অথচ চেতনাদি মানসিক বৃত্তিবিশিষ্ট । কিন্তু কোথায় দেখিয়াছ যে চেতনাদি মানসিক বৃত্তি সকল শরীর হইতে বিযুক্ত ? যদি তাহা কোথাও দেথ নাই, তবে হয় ঈশ্বর সাকার নর তিনি নাই। সাকার ঈশ্বর, এ কথা তোমরা মানিবে না, অতএব ঈশ্বর নাই, ইহা মানিতে হইবে। ইনি দ্বিতীয় শ্রেণীর नष्टिक ! ং ঈশ্বরাসিদ্ধে।” শুধু এই কথার উপর নির্ভর করিলে, ংখ্যকারকে প্রথম শ্রেণীর নাস্তিক বলা যাইত । কিন্তু তিনি অম্লান্ত প্রমাণের দ্বারা প্রতিপন্ন করিতে যত্ন করিয়াছেন, যে ঈশ্বর নাই। cन ममां५ ८कां५ीe झूहै ५कलेि ठूरछङ्ग भाषा नारे ! अटमक