প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:প্রহাসিনী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১২২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মিলের কাব্য বাস্তব যে আচল অটল— বিশ্বকাব্যে তাই তড়িৎকণার নৃত্য আছে, বাস্তব তো নাই। গোলাপগুলোর পাপড়ি চেয়ে শোভাটাই যে সত্য, কিন্তু শোভা কী পদার্থ কথায় হয় না কথ্য । বিশুদ্ধ ইঙ্গিত সে মাত্র, তাহার অধিক কী সে— কিসের বা ইঙ্গিত সে জিনিস ভেবে কে পায় দিশে । নিউসপেপার আছে, পাবে প্রমাণযোগ্য বাক্য— মোকদ্দমার দলিল আছে ঠিক কথাটার সাক্ষ্য । কাব্য বলে বেঠিক কথা, এক হয়ে যায় আর— যেমন বেঠিক কথা বলে নিখিলসংসার । আজকে যাকে বাষ্প দেখি কালকে দেখি তারা— কেমন ক’রে বস্তু বলি ! প্রকাণ্ড ইশারা । ফোটা ঝরার মধ্যখানে এই জগতের বাণী কী যে জানায় কালে কালে স্পষ্ট কি তা জানি । বিশ্ব থেকে ধার নিয়েছি তাই আমরা কবি— সত্যরূপে ফুটিয়ে তুলি অবাস্তবের ছবি । ছন্দ ভাষা বাস্তব নয়, মিল যে অবাস্তব— নাই তাহাতে হাট-বাজারের গদ্য-কলরব । হা-য়ে না-য়ে যুগল নৃত্য কবির রঙ্গভূমে । এতক্ষণ তো জাগায় ছিলুম, এখন চলি ঘুমে ॥ উদয়ন । শাস্তিনিকেতন > X a