পাতা:বঙ্গদর্শন নবপর্যায় তৃতীয় খণ্ড.djvu/৪৮৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

وعن م8b বার্কলি জগতের এই নিয়ম, এই ব্যবস্থা, এই কাৰ্য্যকারণসম্বন্ধ বুঝাইবার জন্ত এক বৃহৎ চেতনপদার্থের অস্তিত্ব স্বীকার করিয়াte:, :strs Universal Soul <i Active Reason এইরূপ একটা নাম দেওয়া হয় । বার্কলি খ্ৰীষ্টান ছিলেন ; তিনি বলেন, এই বৃহৎ চৈতন্তময় পদার্থই খ্ৰীষ্টানদিগের ঈশ্বর বা খোদা— এবং ইনিই প্রতীয়মান - জগতে নিয়মের, ব্যবহারের ও কাৰ্য্যকারণশ্বখলার প্রতিষ্ঠাতা । জীবাত্মা হইতে স্বতন্ত্র ও বৃহত্তর সেই বিশ্বাত্মা বা ঈশ্বর তৎকল্পিত বিশ্বজগতে স্বেচ্ছায় কতিপয় নিয়মের প্রতিষ্ঠা করিয়াছেন ও প্রত্যয়গুলিকে কাৰ্য্যকারণশুঙ্খলায় আবদ্ধ করিয়া রাথিয়াছেন ; সেইজন্ত একের পয় অন্তটি ঘটে । তিনি যেরূপ বিধান করিয়াছেন, সেইরূপই ঘটে ; অন্তরূপ বিধান করিলে অন্তরূপই ঘটিত । সেইজন্ত পরিমিত সঙ্কীর্ণ জীবাত্মা সেইরূপই ঘটিতে দেখে, অন্তরূপ ঘটিতে দেখে না । তিনি ঐক্সপ ব্যবস্থা করিয়াছেন বলিয়া যথাকালে স্বৰ্য্য উঠে, যথাকালে ঋতুপরিবর্তন হয়, যথাকালে জীবের জন্মমরণ ঘটে, যথানিয়মে সুখদুঃখের অাবিভাব-তিরোভাব হয়—প্ৰত্যয়সমষ্টিরূপ প্রত্যক্ষ জগৎচক্রের নেমি যথানিয়মে আবৰ্ত্তন করে । প্রতীয়মান বাহজগতে কায্যকারণগৃঙ্খলার ও নিয়মের হেতু প্রদর্শনের জন্ত বাকলি তাহার ঐশ্বরিক আত্মার কল্পনা করিয়াছিলেন । অচেতন জড়জগতের প্রত্যক্ষ্মস্বরূপ উপাদানগুলি - আমরা নির্দিষ্টবিধানমত সজ্জিত ও বিস্তস্ত দেখিতে পাই । কে তাহাদিগকে .এইরূপে সাজাইল ? এই সজ্জায় ও ৰিক্তাসে কেবল ধে একটা সুন্দর শৃঙ্খল অাছে, বঙ্গদর্শন । { ৩য় বর্ষ, মাঘ । তাহা নহে ; উহাতে একটা উদ্দেশ্যের, একটা লক্ষ্যের, একটা designএর পরিচয় পাওয়া যায় । জগতের শ্ৰোত যথানিয়মে চলিয়াছে —কিন্তু একটা ভবিষ্যৎ উদ্দেশ্যকে লক্ষ্য করিয়া চলিয়াছে । দেখ, সেই প্রাচীনকালের কুঙ্কটিকাকার নীহারিক হইতে কেমন মুন্দর স্থব্যবস্থ সৌরজগতের অভিব্যক্তি হইয়াছে । ধরা পৃষ্ঠে কেমন বিবিধ জীবের, বিবিধ উদ্ভিদের উৎপত্ত্বি হইয়াছে ; কেমন নুতন উৎকৃষ্ট জীব পুরাতন অপকৃষ্ট জীবের স্থান গ্রহণ করিয়াছে ; শেষ পর্য্যস্ত এই অত্যুন্নত মঙ্গুষ্যের উৎপত্তি ও ক্রমোন্নতি ঘটিয়াছে । সমগ্র জগদযন্ত্রটি যেমন তারেতারে চাকায়-চাকায় গাথা ; এখানের চাকাখানি কেমন ওখানের চাকাখানিকে নিয়মিত করিয়া রাখিয়াছে । লাপলাসের ধীশক্তি সপ্রমাণ করিতে চাহিয়াছিল, সৌরজগৎরুপ বিশাল যন্ত্রটি কেমন স্থিতিশীল ; এতগুলি বৃহৎ জড়পিও পরস্পরকে কক্ষচু্যত কারবার চেষ্টা করিতেছে, অথচ সকলে ঘুরিয়াফিরিয়া আপন নির্দিষ্ট কক্ষণপথেই প্রতিনিবৃত্ত হইতেছে । জগদযন্ত্রের এই বৃহৎ উদ্দেশু, এই design, এই বড়হাতের-P-যুক্ত Purpose, মন্দমতিকে বুঝাইবার জন্ত মহামহাপণ্ডিতে মিলিয়া এতগুলা }}ridgewater TreatiseĘ fwifejām cąførstCER ! যন্ত্রটির নিন্মাণেই কেমন মহৎ উদ্দেন্থের পরিচয় পাওয়া যায় । আজি যে উল্পত স্পন্ধিত মনুষ্যজাতি ধরাপৃষ্ঠে. অতুল মহিমায় বিচরণ করিতেছে, যেন কত-কেটি বরপর পুৰ্ব্ব হইতেই তাহার উৎপত্তির জন্ত পরামর্শ চলিতেছিল। আলফ্রেড রাসেল ওয়ালাপ