পাতা:বঙ্গদর্শন নবপর্যায় তৃতীয় খণ্ড.djvu/৪৯৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

8సు মিথ্যা বলে। তখন উহা সত্য— উহ। তাৎ কালিক সত্য–উহা ব্যাবহারিক সত্য—কেন না, উহা কতকগুলি ইঞ্জিয়লব্ধ বুদ্ধিগোচর প্রত্যয়ের সমষ্টি । উহার এই সত্যতা স্বীকার করিয়াই আমার জীবনযাত্রা চলিতেছে ; নতুবা আমার জীবনই বা কোথায় থাকিত, জামীর জগৎই বা কোথায় থাকিত ! যতক্ষণ উহাকে ঐক্সপ সত্য মনে করি, ততক্ষণ উহার অস্তিত্ব বুঝাইবার জন্ত, উহা কোথ৷ হইতে আসিল বুঝাইবার জন্ত, উহার নিৰ্ম্মাতার, উহার স্বষ্টিকৰ্ত্তার, অস্তিত্বকল্পনা আবশুক হয় । তা ত হইবেই। উহা যখন সত্য—তাৎকালিক সত্য, তখন উহার উৎপত্তি-স্থিতি-লয়ের কারণ অনুসন্ধান করিতেই হইবে । তথন আমরা অন্ত কারণের সন্ধান না পাইয়া, প্রচলিত কারণের অসঙ্গতি দেখাইয়া, আত্মাকেই উহার কারণ বলিয়া, আত্মাকেই জগতের শ্রষ্টা বিধাতা বলিয়া নির্দেশ করি । যতক্ষণ এই জগৎ স্বব্যবস্থ স্বনিয়ত উদ্দেশ্রণজুযায়ী বৃহৎ যন্ত্ররূপে প্রতীত হয়, ততক্ষণ যাহাকে সেই যন্ত্রের নিৰ্ম্মাতা ও চালক মনে করা যায়, তাহাকে সৰ্ব্বজ্ঞ সৰ্ব্বশক্তিমান প্রভৃতি বিশেষণে বিশিষ্ট করিতে বাধ্য হই । অচেতন জড়জগৎ যখন আপনাকে আপনি উদ্দেশ্রমুখে চালাইতে পারে না, তখন ষে একমাত্র চেতনপদার্থকে আমি জানি, সেই চেতন আত্মাকেই সৰ্ব্বজ্ঞ সৰ্ব্বশক্তিমান ঈশ্বর বলিয়া নির্দেশ করি । জড়জগৎ যে হিসাবে সত্য, আত্মায় সৰ্ব্বজ্ঞত্বাদিও ঠিক সেই হিসাবে সত্য। ইহাতে বিস্ময়প্রকাশের কারণ নাই । “কিন্তু যখন বুঝিতে পারি, এই জড়জগৎ वघ्रनवृत्र, स्नेहांब्र चङञ्ज चखिएा नाहे. ठधन বঙ্গদর্শন । [ ৩য় বর্ষ, মাঘ । বুঝিতে পারি—উহা একটা অধ্যাপমাত্র। যাহার স্বতন্ত্র অস্তিত্ব নাই, তাহাতে যখন স্বতন্ত্র অস্তিত্ব আরোপ করিয়াছি, তখন সেই আরোপ কেবল অধ্যাস । তখন বুঝিতে পারি, যাহাকে সত্য মনে করিতেছিলাম, উহ। তাৎকালিক ব্যাবহারিক সত্যমাত্র, স্থায়ী পারমার্থিক সত্য নহে। সেই কল্পিত জগতে যে নিয়মেয়, যে ব্যবস্থার, যে উদ্দেশ্যের অস্তিত্ব দেখিতেছিলাম, জগতই যখন কল্পনা, তখন সে সকলই কল্পনা । জগৎই যখন অধ্যাস, সে সকলই তখন অধ্যাস । তখন সেই মিথ্যাজগতের স্রষ্ট, বিধাতা, নিয়স্তা কল্পনারই বা প্রয়োজন কি ? যাহা নাই, তাহার আবার স্বষ্টি কি ? তাহার আবার নিয়ুস্তা কি ? ঐ সকল বিশেষণ তখন অর্থশূন্ত হইয়া দাড়ায় । ‘বন্ধ্যার পুত্র যেমন অর্থশূন্ত, ঘোড়ার ডিমের যেমন অর্থ হয় না, অস্তিত্বহীন পদার্থের স্বষ্টিকর্তা, তেমনই শুর্থশুম্ভ । জ্ঞানোদয়ে এই অর্থশূন্তত বুঝিতে পারি। তখন আর আত্মায় কর্তৃত্ব-নিয়ন্থত্ব প্রভৃতি আরোপের আবগুক্ত থাকে না । জগৎকে সত্য ধরিয়াই আত্মাকে উহার শ্রষ্টা ও নিম্নস্তা, অতএয সৰ্ব্বজ্ঞ ও সৰ্ব্বশক্তিমান বলিতেছিলাম। জগতের সত্য যখন ব্যাবহারিক সভ্য হইল, তখন আত্মারও ঈশ্বরত্ব ব্যাবহারিকভাবে সত্য। লোকব্যবহারের জs, জীৰনৰাত্রার স্ববিধার জন্ত, আমি জগৎকে সত্য ও আত্মাকে জগতের কর্তা বলিয়া নির্দেশ করিয়াছিলাম। জগৎকে মুদি সত্য বল, আত্মাকেই উহার কর্তা বলিতে হইৰে । অল্প - কৰ্ত্ত কাহাকেও খুজিয়া পাওয়া किङ्खु पञ्चन অধ্যাসের লোপ दछ, jor