পাতা:বঙ্গদর্শন নবপর্যায় তৃতীয় খণ্ড.djvu/৫৯০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

দ্বাদশ সংখ্যা । ] রক্ষার জঙ্ক সেইরূপ একপরিবারভুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকে স্বীর প্রবৃত্তির সহজ গতি কতক পরিমাণে পরিবৰ্ত্তিত করিতে হয়—এক প্রীতির তীর্থে বিরুদ্ধ প্রকৃতিসমূহের স্থখমিলন ঘটিয়া থাকে । সামঞ্জস্ত ও শাস্তির জঙ্গ একটা অবিরাম চেষ্টায় গার্হস্থ্যজীবন সুরক্ষিত থাকে এবং এক পরিবারের প্রত্যেক ব্যক্তির একটা নৈতিক স্থশিক্ষণ হইয়া থাকে—কারণ প্রত্যেকের আত্মদমনের চেষ্টা না হইলে শাস্তির আবির্ভাব সম্ভবপর হয় না । যে জলরাশির স্বাভাবিক গতি আছে, তাহা আপন নিৰ্ম্মলতা রাখিয়া চলিতে পারে ; কিন্তু জল দাড়াইরা গেলে উহ! পঙ্কিল ও নানারূপে অস্বাস্থ্যকর হইয়৷ উঠে । যৌথপরিবার যতদিন স্বভাবের অমুকুলে গতিশীল থাকে, ততদিন ইহার দ্যায় হিতকর প্রভাব অীর-কোনরূপ সামাজিক অবস্থার হইতে পারে না, কিন্তু গতি স্থির হইলে ইহা ও অনিষ্টকর হইয়া উঠে। জীবনকে নিয়মিত করিবার অত্যধিক চেষ্টার সঙ্গে স্বাভাবিক শক্তির ষে অপচয় ঘটে, তাহাতে অদম্য উৎসাহ,'স্বাধীন চিস্তা ও মৌলিকতার বিকাশ তালরূপ হয় ন, এবং গুরুজনের অক্ষগত্য প্রতিভাবিকাশেরপক্ষে পদে পদে অন্তরায়ের স্বষ্টি করে । লোকে বে পরিমাণে সহিষ্ণু হয়, সেই পরিমাণে তাহার নিজের মতের প্রতি আস্থা ও স্বীয় শক্তির উপর বিশ্বায় নষ্ট হইয়া যায় -যৌথপরিবারে স্নেহের অমুশীলন সৰ্ব্বাপেক্ষ বেশী, কিন্তু ক্রমে ক্রমে উহাতে হৃদয় এমন কোমল হুইল্প পড়ে এবং এত অসঙ্গত ছশ্চিত্ত৷ ७ गाँवषांनङ डे९-ाब्र इब्र ८ष, बङ्९ छे८क्षश রামায়ণ ও সমাজ । به مdb গুলি পদে পদে বাধা পায় । আমাদের দেশে গ্রাম হইতে গ্রামাস্তরে গমনে মুখ ব্যক্তির মা, খুড়ী, মাসী, ভগিনী ভাবিয়া আকুল হন এবং ছেলেটি একটু দৌড়াইয়া খেলিতে ছুটিলে স্নেহাতুর আত্মীয়গণ শিশুর অনিষ্টাশঙ্কা করিয়া তাহার পাদক্ষেপ-নিরমনের উপদেশ দিতে আরম্ভ করেন । ইহার ফলে এই দাড়াইয়াছে যে, এক পরিবারের বহুলোক একত্র হইয়া অহরহ শিশুর জীবনরক্ষা, স্বাস্ত্যরক্ষা প্রভূতির প্রতি লক্ষ্য করে, অমনি স্বভাবও যেন একটি ক্রুর রহস্ত দেখিবার জন্তই স্বীয় হিতকর বিধানগুলি লইয়। কাৰ্য্যক্ষেত্র হইতে অপস্থত হয়। এদিকে নানারূপ অকৰ্ম্মণ্য উপদেশের হিড়িকে শিশুগুলি নিশ্চেষ্ট বুদ্ধমূৰ্ত্তির মত হইয়া যায়, আর সেই সঙ্গে অকালপকতা প্রাপ্ত হইয়া স্বাভাবিক ফৰ্ত্তি হইতে চিরবঞ্চিত হইয়া পড়ে । শিশুকাল হইতে আমরা নিজের জন্ত ভাবিতে শিখি না, অপরে আমাদের ভাবনাগুলি ভাবিয়া দেয় এবং পিতামহী-মাতামহীর প্রণোদিত জীবনরক্ষার সাবধানতা আমরণ পশ্চাতে থাকিয়া অামাদিগকে সৰ্ব্ববিষয়ে কাপুরুষ করিয়া তোলে । শিশুকালে পা বাড়াইতে গেলেই আত্মীয়বর্গ যে আশঙ্কা দেখাইরাছিলেন, বয়ঃপ্রাপ্ত হইলে তাহ ঘনীভূত হইয়া আমাদের উস্তম্বের মুখ মুচড়াইয়া দের এবং সৰ্ব্বপ্রকার উচ্চকাৰ্ঘ্যের জন্ত আমাদিগকে একান্তরূপে অযোগ্য করিয়া ফেলে। মুখে আমরা বতই পুরুষকারের গৰ্ব্ব করি না কেন, অনেকসময় যে যাত্রাকালে ইাচি শুনিলে অন্তরাধিষ্ঠিত পঞ্চভূত ভয়ে শিহরিয়া উঠেন, সে সম্বন্ধে সন্দেহ নাই । যৌথ-পরিবার এখন একস্তিরূপে কৃত্রিম