পাতা:বঙ্গদর্শন নবপর্যায় ষষ্ঠ খণ্ড.djvu/৬০০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

es$ दछनर्णम । [ ৬ষ্ঠ বর্ষ, চৈত্র । । বলিয়াছেন যে, ছয়মাসমধ্যে র্তাহার কয়টা রিষ্টি আছে। কাজেই তাহার নাশার্থ কিছু না করিলে নহে। কেহ কেহ সন্দেহ করিতেছিলেন-উপযুক্ত অবসর বুঝিয়া পণ্ডিতমহাশয়ের একহাত লাভের পন্থা দেখিতেছেন, কিন্তু মহারাণী অবশু তাহা বুঝিতেছিলেন না। রিষ্টিনাশোপলক্ষে যাহা-কিছু করণীয়, সকলেরই, অনুষ্ঠান করিবার আদেশ হইয়া গেল। গণকগণ বলিয়াছিল যে, প্রাণসংশয় হইবে, কিন্তু সে কথা তাহার নিকট গোপন করা হইতেছে, মার বিশ্বাস ইহাই। তাঁহার চক্ষু জলে ভাসিতেছিল। g আবার পরদিন প্রাতে রাজাস্তঃপুরে গিয়া দেখি, অবস্থা পূৰ্ব্ববৎ। একাদশীর উপবাস ও কুমারের রিষ্টিসংক্রান্ত চিন্তায় মাতার মূৰ্ত্তি শীর্ণ ও মলিন দেখাইতেছিল। স্থির হইয়াছিল, রিক্টিনাশার্থ দুইপ্রকারের যাগ হইবে, বৈষ্ণব তন্ত্রিক। তান্ত্রিকমতে র্তাহার যথেষ্ট শ্রদ্ধা ছিল না, কিন্তু ব্রাহ্মণগণের ব্যবস্থায় দুইয়েরই অনুষ্ঠান করিতে হইবে। এ সকলে কিন্তু কুমারের যাত্রা স্থগিদ হওয়ার কোন সম্ভাবনা দেখা গেল না। মা বলিতেছিলেন, “আমার অনুরোধ শুনিবে কেন ? আমরা ত কেহ নহি । তৃ দূর হীৰু, বিবাহ পর্য্যন্ত করে নাই।” এই কথাকয়টিতে আমি মহারাণীমাতার আন্তরিক বেদন অনুভব করিলাম। কুমার হার মতে বিবাহ করেন নাই, ইহা লইয়া বাহিরের লোককে আলোচনা করিতে শুনিতাম, কিন্তু মার মুখে ইতিপূৰ্ব্বে সে কথা আর কখন ব্যক্ত হয়। নাই। আমি বলিলাম, “ম যদি বুঝিতেছেন যে, যাওয়ার ফল বিশেষ অনিষ্টকর হইবে, তবে আপনিই কেন জেদ করুন না ? জেদ না করিলে চলিবে কেন ?" মা উত্তর করিলেন, “কি করিব ? কোকন কাল আমায় বলিয়াছিল, যদি আমি না যাইতে দিবার জন্য জেদ করি, তবে লুকাইয়া মাইবে।” পরে অতি মৃদুভাবে আবার বলিলেন যে, গোপনে তিনি জানিতে পারিয়াছেন, উইল পর্যন্ত নাকি হইতেছে। খসড়া হইয়া রামপুর গিয়াছে, ইহা তিনি শুমিয়াছেন। • • কে . জিজ্ঞাসা করিলে বলে, সে সব কথায় এখন তার দরকার কি ? পুনশ্চ মা বলিলেন, “দেখ বাপু, উহাকে শিশুকাল হইতে পালন করিলাম । এতদিন উহার জন্য বিষয়ভার বহন করিলাম। কোষ্ঠীতে যেমন দেখা যাইতেছে, বেশীদিন আর বঁাচে বুেধি হয় না। আমি কি করিব ? মানুষ কাহারো না কাহারো আশায় বিষয়আশয় করে। যদি কিছু হয়, আমি এই বিষয়ের মধ্যে কদাপি থাকিব না।” মার চক্ষু জলে পূর্ণ হইল। ষ্টই এখানে বলা আবশ্বক যে, কুসংসর্গের মোহে পড়িয়া কুমার অনেকসময় মহারাণীমাতাকে কষ্ট দিতেন বটে, কিন্তু তিনি বাস্তবিক তাহাকে আন্তরিক ভক্তি ফরিতেন । নানা কার্য্যে ও ব্যবহারে ইহা বুঝা যাইত। এরূপ মাতার হেক্রোড়ে আশৈশব লালিত-পালিত হইয়াও তিনি মানুষ হইতে পারেন নাই, ইহা অবশু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। কিন্তু • মাতৃচরিত্রের স্নিগ্ধজ্যোতিঃপ্রভাবে তাহাতেওঁ" মধ্যে মধ্যে মহত্ত্বের উন্মেষ দেখা দিত । ॐौडैयै*कठल भञ्जूमलांब्र।• *