পাতা:বরেন্দ্র রন্ধন.djvu/৩৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
১৪
বরেন্দ্র রন্ধন

জল ফুটিয়া তাহার ভাপা উঠিয়া আলুতে লাগিয়া তাহা সিদ্ধ করিবে। এইরূপ সিদ্ধ করাকে ভাপে সিদ্ধ কহে।

 ফুল কোবি, বাধা কোবি, ওল কোবি সালগম, গাজর, মূলা, কঁচা পাকা মিঠা কুমড়া, আনাজি কলা, লাল আলু, শালুক, বেত-আগা, মোচা, পাণিফল, প্রভৃতি আলুর ন্যায় সিদ্ধ করিয়া তে মাখিয়া খাইবে। মূলা তৈলে মাখিলেই ভাল হয়।

১৯। আমি কড়ালী সিদ্ধ

 আম কড়ালী, পাকা আম, জলপাই, কঁচা তেঁতুল, আমড়া, আপেল, পিচফল প্রভৃতি ভাতে ফেলিয়া সিদ্ধ করিয়া চিনি দিয়া মাখিয়া খাও।

২০। ওল সিদ্ধ

 ওল খণ্ড খণ্ড করিয়া কুটিয়া একটু সোডা বা চুণ মাখিবে। থাণিকক্ষণ পরে ধুইয়া ফেলিবে। এইরূপ করিলে ওলের মুখ ধরা দোষ অনেক নষ্ট হইবে। এক্ষণে জলে সিদ্ধ করিয়া জল গালিয়া ফেলিয়া তৈল, মুণ, কাঁচা লঙ্কা এবং সরিষা বাটা দিয়া বেশ চটকাইয়া মাখিবে। শুকনা ভাতের সহিত খাইবে। খবরদার, ওলের সহিত ঘৃত-সংযোগ হইলে মুখ ধরিতে পারে।

 মান কচু, ঘট কচু, খামা কচু প্রভৃতি এইরূপে সিদ্ধ করিয়া তৈল, লুণ, কাঁচা লঙ্কা মাখিয়া খাইবে। ইহাদের সহিত সরিষাবাঁটা মাখা আবশ্যক করে না।

২১। মটরের কুমড়া-বড়ি সিদ্ধ

 খড়ের আগুণে মটরের কুমড়া বড়ি ঝাইয়া লইয়া ভাতে সিদ্ধ কর। তৈল, লুণ, কঁচা লঙ্কা মাখিয়া আতপ অন্নের সহিত বিশেষতঃ নূতন আমনের মাড়ে মাড়ে ভাতের সহিত খাইতে ভাল। (পোয়ও লিখিত হইয়াছে।)

 খেসারির ডাইলের বড়ি এইরূপভাবে পাইবে।