এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
রাজাবাহাদুর সোমশংকরের প্রবেশ। রাঘুবংশিক চেহারা ‘শালপ্রাংশুর্মহাভুজঃ’ রৌদ্রে পুড়ে ঈষৎ স্নান গৌরবর্ণ, ভারি মুখ গাড়ি গোঁফ কামানো, চুড়িদার সাদা পায়জামা, চুড়িদার সাদা আচ্কান, সাদা মস্লিনের পাঞ্জাবী কায়দার পাগড়ি, শুঁড়তোলা সাদা নাগরা জুতো, দেহটা যে ওজনের কণ্ঠস্বরটাও তেমনি।
সোমশংকর
ক্ষিতীশবাবু, বসতে পারি কি?
ক্ষিতীশ
নিশ্চয়।
সোমশংকর
আমার নাম সোমশংকর সিং। আপনার নাম শুনেছি মিস্ বাঁশরীর কাছ থেকে। তিনি আপনার ভক্ত।
ক্ষিতীশ
বোঝা কঠিন। অন্তত ভক্তিটা অবিমিশ্র নয়। তার থেকে ফুলের অংশ ঝরে পড়ে, কাঁটাগুলো দিনরাত থাকে বিঁধে।
সোমশংকর।
আমার দুর্ভাগ্য আপনার বই পড়বার অবকাশ পাই নি। তবু আমাদের এই বিশেষ দিনে আপনি এখানে এসেছেন, বড়ো কৃতজ্ঞ হলুম। কোন এক সময়ে আমাদের শম্ভুগড়ে আসবেন এই আশা রইল। জায়গাটা আপনার মত সাহিত্যিকের দেখবার যোগ্য।
২৯