প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:বাংলাদেশ কোড ভলিউম ২৮.djvu/২৭৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২৬৮ ব্যাংক-কোম্পানী আই F, Sఫిఫీ) তথ্যাদি প্রকাশের ৩৭। জনস্বার্থে প্রয়োজন মনে করিলে বাংলাদেশ ব্যাংক এই আইনের ক্ষমতা অধীন সং ৩০ দিনের অধিক সময় অনাদায়ী ঋণ বা অগ্রিম সম্পর্কিত কোন তথ্য একীভূত অবস্থায় বা অন্য কোনভাবে প্রকাশ করিতে পরিবে। হিসাব ও ব্যালেন্সসীট ৩৮। (১) বাংলাদেশে বা বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত প্রত্যেক - ব্যাংক-কোম্পানী কোন অর্থ বৎসর অতিবাহিত হইবার পর উক্ত বৎসরে উহা, o বা উহার শাখা কর্তৃক কৃত ব্যবসা সম্পর্কে একটি ব্যালেন্সসীট ও লাভ-ক্ষতির ত্ৰৈ হিসাব এবং আর্থিক প্রতিবেদন বৎসরের শেষ কার্যদিবসে যেভাবে দাঁড়ায় (২) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যালেন্সসীট, লাভ-ক্ষতির হিসাব এবং আর্থিক প্রতিবেদন- o (ক) বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, উহার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বা প্রধান কর্মকর্তা এবং উহার পরিচালকের সংখ্যা তিনজনের বেশী হইলে, অনুন তিনজন পরিচালক, এবং তিনজন হইলে, সকল পরিচালক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হইবে: (খ) বাংলাদেশের বাহিরে निदकमकुंड ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, উহার বাংলাদেশস্থ প্রধান কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক বা প্রতিনিধি এবং উক্ত ব্যবস্থাপক বা প্রতিনিধি হইতে পরবর্তী নীচের অন্য একজন কর্মকর্তা o (৩) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যালেন্সশীট, এবং লাভ-ক্ষতির হিসাব এবং আর্থিক প্রতিবেদন দাখিল সম্পর্কে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ফরমটি কোম্পানী আইনের তফসিল-১১] হইতে ভিন্নতর হওয়া সত্বেও, উক্ত ব্যালেন্সশীট, লাভক্ষতির হিসাব ও আর্থিক প্রতিবেদন দাখিলের ক্ষেত্রে, উক্ত আইনের বিধানাবলীর ততটুকু প্রযোজ্য হইবে যতটুকু এই আইনের বিধানাবলীর সহিত সংগতিপূর্ণ হয়। so (৪) বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম তফসিলের ফরমসমূহ সংশোধন করিতে পরিবে: N তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ সংশোধনের অনূ্যন তিন মাস পূর্বে উক্তরূপ o সংশোধনের ইচ্ছা প্রকাশ করিয়া সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারী করিতে হইবে। o ব্যাখ্যা।– কোন বিশেষ ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাং so ভিন্নরূপ নির্দেশ না থাকিলে, এই ধারায় “বৎসর” অর্থ হিসাব বর্ষ। CŞ

  • “তফসিল-১১” শব্দ ও সংখ্যাটি “Third Schedule এর ফরম E” শব্দগুলি ও বর্ণটির পরিবর্তে ব্যাংক কোম্পানী

(সংশোধন) আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ১১ নং আইন) এর ২১ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

  • “হিসাব বর্ষ" শব্দগুলি “পঞ্জিকা বর্ষ" শব্দগুলির পরিবর্তে ব্যাংক কোম্পানী (সংশোধন) আইন, ১৯৯৫ (১৯৯৫ সনের

২৫ নং আইন) এর ১৪ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।