পাতা:বাংলা শব্দতত্ত্ব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর -দ্বিতীয় সংস্করণ.pdf/১৩১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ভাষার ইঙ্গিত ংলা ব্যাকরণের কোনোও কথা তুলিতে গেলে গোড়াতেই দুই একটা বিষয়ে বোঝাপড়া স্পষ্ট করিয়া লইতে হয়। বাংলাভাষা হইতে তাহার বিশুদ্ধ সংস্কৃত অংশকে কোনো মতেই ত্যাগ করা চলে না এ কথা সকলকেই স্বীকার করিতে হইবে । মানুষকে তাহার বেশভূষা বাদ দিয়া আমরা ভদ্রসমাজে দেখিতে ইচ্ছা করি না । বেশ ভূষা না হইলে তাহার কাজই চলে না, সে নিস্ফল হয়—কী আত্মীয়সভায়, কী রাজসভায়, কী পথে, মানুষকে যথোপযুক্ত পরিচ্ছদ ধারণ করিতেই হয়। কিন্তু একথাও স্বীকার করিতে হইবে যে, মানুষ বরঞ্চ দেহত্যাগ করিতে রাজি হইবে তবু বস্ত্র ভ্যাগ করিতে রাজি হইবে ন—তবু বস্ত্র তাহার অঙ্গ নহে—এবং তাহার বস্ত্রতত্ত্ব ও অঙ্গতত্ত্ব একই তত্ত্বের অন্তর্গত নহে । সংস্কৃত ভাষার যোগ ব্যতীত বাংলার ভদ্রত রক্ষা হয় না এবং বাংলা তাহার অনেক শোভা ও সফলতা হইতে বঞ্চিত হয় কিন্তু তৰু সংস্কৃত বাংলার অঙ্গ নহে, তাহা তাহার আবরণ—তাহার লজ্জা রক্ষা, তাহার দৈন্য গোপন, তাহার বিশেষ বিশেষ প্রয়োজনসাধনের বাহ উপায় । 壘 অতএব, মানুষের বস্ত্রবিজ্ঞান ও শরীরবিজ্ঞান যেমন একই কথা নহে তেমনি বাংলার সংস্কৃত অংশের ব্যাকরণ এবং নিজ বাংলার 업