পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৪২৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মধুকান। যে সুখেতে হেথা আছি, একবার কৃষ্ণ দেখলে বঁচি, কিংবা কৃষ্ণ পেলে বঁচি, এ বাচায় আর কি ফল হবে ॥ আসিত-অষ্টমী রেতে এই কারাগারে, ব্ৰহ্মমূৰ্ত্তি দেখাইল করুণা করে, কোন পুণ্যে বা গর্ভে ধরে, কোন পাপে বা কারাগারে, স্থদন বলে বলে তারে এ বন্ধন ঘুচিবে কবে। দেওগিরি –টিমা-তেতাল । যাচ্চ যদি গোকুলে। বলৈা তায় যেয়ে না ভুলে, পাষাণ চাপা মায়ের বুকে, স্বচক্ষেতে দেখে গেলে | | যত দ্বারী করে বন্ধন, তত ডাকি আয় কৃষ্ণধন, মনে নাই দুঃখিনীর বেদন, হয়ে যশোদার ছেলে, , জনকের যন্ত্রণ ব’লে, শুনে হবে মুখজনক, পাসরি রয়েছ জনক, গোকুলে পেয়েছে জনক, ঐ দেখ দাড়ায়ে পক্সে,আরও প্রহার পায়ে পায়ে, দিনস্তে না খেতে পেয়ে, বঁচে কেবল কৃষ্ণ বলে। বলে তারে ভাল করে, গিয়াছে খুব ভাল করে, । মাতা-পিতা-হত্য পাতক কিছুই না মনে করে, ; সূদন বলে ও দেবকী, ও কথা আর বলিব কি, চিরকাল ত এমতি দেখি,পাতকী তোমার ছেলে ॥ । i | জয়জয়ন্তী টিম'-তেতাল । কেমনে ত্যজিব এখন গোকুল । কিরূপে হবে প্রতিকূল, যাবে ব্রজের এ কুল ও কুল দুকুল ৷ ঘুমালে পর মা জননী, ডাকিয়ে খাওয়ায় নবনী, সে মা হবে কাঙ্গালিনী, ত্যজবে প্রাণী, খে দিন যাব ও কুল । , যে পিতার লইয়ে বাধা থাকিতাম পথে, সে বাধায় কাল পড়বে বাধা ফেলিবে মাতে, | Hද්දා যে কিশোরী বঁশরী বিন না শুনে কাণে, সে বসে বঁাশের বঁাশী বাজবে কেমনে,— সে রয়েছে আপন মনে, তার মন লয়ে যাই কেমনে, বলবে এই তার ছিল মনে, মরূবে স্থদন পায়ে না কোন কুল ৷ পিঝিট—মধ্য মান । দেখিলাম তোমার জননী জনক, র্তারা বন্দিশালে বন্ধন করে ক্ৰন্দন করে, মুখে কৃষ্ণ কৃষ্ণ বলে। যখন দূতে ধরে গলে, তখন কঁদে কুষ্ণ বলে, র্তাদের দুঃখে পাষাণ গলে, কঁদে দোহে গলে গলে দাড়কা পায় উঠিতে না পায়, এমুনি তাদের কপাল ভগ্ন অপরাহ্লে না পায় অন্ন, উঠিতে চরণ সংলগ্ন, করে কিছু বলতে নাঞ্চে; পদাতি সব দ্বারে দ্বরে, দেখতে চাইলে অম্নি মারে, “মলাম মারে’ তোর মা বলে ॥ দেখি দ্বারিগণের নেত্ৰ সদাই নেত্র মুদে থাকে, দেখি দন্ত গাত্র কম্প কতু দন্তে দন্ত লাগে, পুনরায় চৈতন্ত হ’লে নয়ন মেলে কৃষ্ণ বলে ;– স্থদন কয় জানে সকলে, ওই দশা হয় ওনাম নিলে । মঙ্গল-বিভাস—টিমা তেতাল।। রাই তুমি অমূল্য মাল্য গথিছ যাহার কারণে । মথুরায় তার মাঠ্যবদল হবে না জানি কা’র সনে। কেন গথ চিকণমালা, ছেড়ে যাবে চিকণকাল, শেষে কেবল ঐ মালা জপমালা হবে মনে ॥ মালহেরে হবে জ্বাল", মরবি প্রাণ জলে, শেষে মালা ভেসে যাবে নয়নের জলে, কেন গাথ বনমালা, দিতে হবে বনে মালা, মৰে সকল বৎস ধেনু, ধাবে না খাবে না তৃণ, শুকাবে সব তুণ-বন, বন হবে রণদাবন হবে আকুল মথুরায় সব টানের মাল, মতির মাল দিবে এনে ॥